হায়দরাবাদ : চার বছরের শিশুর শ্রবণ শক্তি ফিরিয়ে দিলেন চিকিৎসকরা। ৩ বছর বয়স থেকেই কানের সমস্যায় ভুগছিল কোচবিহারের শিশুটি। মধুজা রায় নামে ওই শিশুটিকে নিয়ে আসা হয় তেলেঙ্গানা রাজ্যের হায়দরাবাদের যশোদা হাসপাতালে। সেখানে ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডঃ মনুশ্রুত তাকে ককলিয়ার ইমপ্ল্যান্টের কথা বলেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সফল অথচ অত্যন্ত কঠিন অস্ত্রোপচার হয় শিশুটির কানে। বর্তমানে সে সুস্থ। ফিরে পেয়েছে শ্রবণ শক্তি।

ককলিয়ার ইমপ্লান্ট হল ছোট একটা ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক এই দুই অংশই রয়েছে। এই ডিভাইস ককলিয়ার নার্ভকে (এর জন্যই কানে শুনতে পারা যায়) উদ্দীপ্ত করে তোলে শব্দের অনুভূতি জাগানোর জন্য। ককলিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি করালে আপনি আরও ভাল করে কানে শুনতে পারবেন। অবশ্য এটা হারিয়ে যাওয়া শ্রবণ ক্ষমতাকে ফিরিয়ে আনে না।

এই চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগের সময় কী হয়? জেনারেল অ্যানেস্থেসিয়া করে ককলিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি করা হয়। মাস্টয়েড হাড়কে খোলার জন্য সার্জন আপনার কানের পেছনে একটা ছেদ করে। ককলিয়াকে পাওয়ার জন্য মুখের স্নায়ুকে শনাক্ত করে মাস্টয়েড হাড় ও মুখের স্নায়ুর মাঝখানে ফাঁকা জায়গা একটা তৈরি করা হয়। ককলিয়া খুলে গেলেই এর মধ্যে ইমপ্লান্ট ইলেকট্রোড ইনসার্ট করে দেওয়া হয়। কানের পেছনে ত্বকের নীচে এই রিসিভার (ইলেকট্রিক ডিভাইস) বসিয়ে দিয়ে ছেদ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এটা করতে কতক্ষণ লাগে? আপনার অবস্থার উপর নির্ভর করে ককলিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি করতে প্রায় ২ থেকে ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। এই সার্জারির কথা বিস্তারিত ভাবে আপনাকে আপনার সার্জন বলে দেবেন।
এই চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগের পর কী হয়? আপনার ব্যথা নিরাময়ের জন্য আপনাকে ওষুধ দেওয়া হবে। আপনি কতখানি সুস্থ হয়ে ওঠেন, তার উপর নির্ভর করে আপনাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হবে। আপনার ফলো-আপ ভিজিটের দিনক্ষণ ঠিক করা হবে। ৪-৬ সপ্তাহ পর এই ডিভাইসের বাহ্যিক অংশটাকে যোগ করা হবে। এই বাহ্যিক ডিভাইসটার যত্ন কী ভাবে নিতে হয় এবং কী ভাবে এটাকে ব্যবহার করতে হয়, সেসব আপনি জেনে যাবেন। আপনাকে হয়তো স্পিচ-ল্যাঙ্গোয়েজ থেরাপিস্ট ও অডিওলজিস্টের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।

ককলিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি করলে শিশুদেরও উপকার হয়। বাচ্চারা যে-বয়সে কথা বলতে ও ভাষা শিখতে শুরু করে সেই রকম একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তারা শব্দের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও পাবে। আপনি আমাদের বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে এ সম্পর্কে কথা বলতে পারেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।