স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: এক মহিলার ট্রাঙ্ক বন্দী মৃতদেহকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল কোচবিহার শহরে৷ এদিন সকালে কোচবিহার শহরের পাওয়ার হাউস এলাকার চৌপথিতে আবর্জনা ফেলার স্থানে একটি ট্রাঙ্কের মধ্যে মহিলার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয় কাউন্সিলার অর্চনা ওঝা৷ তিনি পুলিশকে খবর দেন৷ পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে৷

ঘটনাস্থলের উল্টো দিকেই রয়েছে একটি পুরাতন মসজিদ৷ স্বাভাবিকভাবে জনবহুল এলাকায় ঢাকনা বিহীন ট্রাঙ্কের ভেতরে কে বা কারা মহিলার দেহ ফেলে গেলেন, তা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷ পুলিশ সূত্রের খবর, মহিলার বয়স আনুমানিক ৪০৷ পুলিশ তাঁর পরিচয় জানার চেষ্টা করছে৷ প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দিন কয়েক আগে অন্য কোথাও খুন করে দুষ্কৃতীরা এখানে ফেলে দিয়ে গিয়েছে৷ পরিচয় জানতে ইতিমধ্যে মহিলার দেহের ভিডিওগ্রাফি পার্শ্ববর্তী প্রতিটি থানায় পাঠিয়েছে পুলিশ৷

এদিন সকালে পুরসভার কর্মীরা আবর্জনা পরিষ্কার করতে এসে মৃতদেহটি দেখতে পান। তাঁরাই খবর দেন স্থানীয় কাউন্সিলর অর্চনা ওঝাকে৷ দেহটি নগ্ন অবস্থায় ট্রাঙ্কের ভিতরে ভরে রাখা হয়েছিল। মহিলার শরিরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে৷ অর্চনাদেবী বলেন, ‘‘আমাদের এলাকায় এই ধরণের ঘটনা এই প্রথম৷ কে বা কারা ওই মহিলাকে খুন করল, তাঁর পরিচয়ই বা কি তা খোঁজ নেওয়ার জন্য পুলিশকে আবেদন করেছি৷’’

ঘটনার জেরে বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে৷ তাঁরা এলাকায় রাত পাহারার দাবি জানিয়েছেন৷ পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে খুনের ধরণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা মিলতে পারে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।