স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: জনবহুল এলাকায় ভেঙে পড়ল দোতলা ভগ্নবাড়ির একতলার ক্রংক্রিটের চাঙড়৷ তবে ঘটনার সময় সেখানে কেউ ছিলেন না৷ তা না হলে কি হত, তা ভেবেই শিউড়ে উঠছেন সকলে৷ কারণ, জায়গাটি জনবহুল হওয়ায় একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারত৷

শনিবার সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার পুরসভা পরিচালিত বীরেন্দ্রচন্দ্র দে সরকার বেসরকারি বাসস্ট্যান্ডের একটি পুরনো জীর্ণ ভবনে৷ ঘটনার পর পুরসভার পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভবনের বাকি বিপজ্জনক অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেছে।

জীর্ণ ভবনটি এতদিন কেন ভেঙে ফেলা হয়নি, সেই প্রশ্ন উঠছে৷ যদিও কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান ভূষন সিংয়ের দাবি, ‘‘জীর্ণ ভবনের সানসেটগুলির সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা তা করতে দেননি৷ তাঁরা ভেবেছিলেন তাঁদেরকে পাকাপাকি ভাবে তুলে দিতেই পুরসভা সংস্কারের কথা বলছে৷’’

কোচবিহার শহরের অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা বাসস্ট্যান্ড৷ সেখানে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ ও কয়েক’শ গাড়ি যাতায়াত করে৷ রয়েছে বাজারও৷ যেখানে ক্রংক্রিটের বড়সড় চাঙড় ভেঙে পড়ার ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা তাঁদের সামগ্রী নিয়ে বসেন৷ আবার সংশ্লিষ্ট জায়গাটিতে অনেক যাত্রীও অপেক্ষা করেন বাসের জন্য৷

শনিবার বাজার বন্ধ থাকায় কেউ ছিলেন না৷ অন্যদিন হলে কি হত, তা ভেবেই শিউড়ে উঠছেন বাসিন্দারা৷ স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শনিবার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছুটির দিন থাকায় সেখানে কেউ ছিলেন না৷ অন্যদিন ওই এলাকায় মানুষে মানুষে ছয়লাপ থাকে৷ ফলে কাজের দিনে ঘটনাটি ঘটলে প্রচুর হতাহত হতে পারত৷ দুর্ঘটনার পরই ভগ্ন ভবনের সানসেটের বাড়ি অংশগুলি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।