আতাফ রিপোর্টার , হাওড়া : গতবার কেউটে দেখে সেটিকে পিটিয়ে মারার চেষ্টা হয়েছিল এবারে আর তেমন কিছু হল না। বন্যপ্রাণ সচেতনতার নিদর্শন রাখলেন বাগনানের মুকুন্দদিঘী গ্রামের বেশ কয়েকজন যুবক। মাছের জালে আটকে পড়া কেউটেকে তুলে দিলেন বন দফতরের হাতে। সূত্রের খবর,আজ সকালে বাগনান থানার সাবসিট পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মুকুন্দদিঘী গ্রামে একটি মাছ ধরার জালে প্রায় ৬ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি কেউটে সাপ ধরা পড়ে। গ্রামের যুবকরা খবর দেন বন দফতরে। খবর পেয়ে সেখানে এসে বন দফতরের কর্মীরা কেউটেটিকে উদ্ধার করেন।

সম্প্রতি হাওড়ার বাগনান থানার সাবসিট গ্রামে এমনই একটি কেউটের দেখা মিলেছিল। ঘটনা ঠিক এক সপ্তাহ আগের। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার সকালে মাছ ধরার একটি ঘূর্ণিতে প্রায় ৬ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি কেউটে সাপ আটকে যায়। অভিযোগ,গ্রামেরই বেশ কিছু মানুষ সাপটিকে মারতে উদ্যত হন। ঘটনাটি জানতে পেরেই তাদের বাধা দেন গ্রামেরই দু’ই যুবক রাজু বাগ ও পাপাই জানা।শিক্ষক বিমল বোধক বিষয়টি বন দফতরে জানালে দুপুরে বন দফতরের কর্মীরা এসে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।

গত বছর এমনই তিনটে সাপের দেখা মিলেছিল হাওড়ার একটি স্কুলে। সেখানেও সচেতনতার ছবি দেখা গিয়েছিল। নভেম্বর মাসে ডোমজুড় ব্লকের কোলরা -১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এক প্রাইমারি স্কুলের ক্লাসরুমে দেখা মিলেছিল তিনটি প্রমাণ সাইজের কেউটে সাপের। ততক্ষণে স্কুলে আসতে শুরু করেছিল ছাত্ররা। বিষাক্ত ফণা তোলা এই তিন কেউটেকে দেখা মাত্রই চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা স্কুল চত্বরে। ভয়ে স্কুল প্রাঙ্গন ছেড়ে বেরিয়ে যায় পড়ুয়ারা।

খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটে আসেন স্কুলের শিক্ষকরা। তৎক্ষণাৎ ক্লাসরুমের দরজা বন্ধ করে সোজা খবর দেওয়া হয় থানায়। এরপর খবর দেওয়া হয় বন দফতরেও। কেউটে আতঙ্কে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয় স্কুলও। পরবর্তীতে বন কর্মীরা স্কুলের ক্লাসরুম থেকে সাপগুলি উদ্ধার করে নিয়ে যান। হাওড়া আরবান ফরেস্ট রেঞ্জের তৎপরতায় ওই বিষধর সাপগুলিকে উদ্ধার করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।