Cbi again summoned barikh biswas in connection with cow traffiking
ফাইল ছবি।
কলকাতা: কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Smuggling Scam) রেলের তিন আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআইয়ের (CBI) তদন্তকারী অফিসাররা৷ বৃহস্পতিবার নিজাম প্যালেসে রেল আধিকারিকদের চলে জিজ্ঞাসাবাদ৷
পাচারকাণ্ডে (Coal Smuggling Scam) এই প্রথম রেল আধিকারিকরা মুখোমুখি হলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (CBI)৷ এদিন নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন বারাবনির স্টেশন ম্যানেজার বি খাখা। আসানসোল সাব ডিভিশনের চিফ কন্ট্রোলার এইচ কে চোপড়া  এবং আসানসোলের ডিআরএম।
অভিযোগ, কয়লা পাচারকাণ্ডে রেলের একাংশের যোগসূত্র রয়েছে ৷ এছাড়া লালা ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজন কয়লা ব্যবসায়ীও সিবিআইয়ের নজরে রয়েছে৷ তাদের মধ্যে তিনজনকে বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই৷ এর আগেও কয়লা পাচার কান্ডের তদন্তে নেমে সিবিআই একাধিক ব্যবসায়ী, পুলিশ কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে৷
আরও অভিযোগ, মালগাড়ি বোঝাই করে অতিরিক্ত কয়লা নিয়ে যাওয়া হত। পরিকল্পনা অনুযায়ী রেললাইনের ধারে বস্তা পাতা থাকত৷ বেলচা দিয়ে লালার লোকেরা বেলচা দিয়ে অতিরিক্ত কয়লা নীচে ফেলে দিত৷ তারপর লালার লোকেরাই সেই কয়লা নিয়ে যেত৷
শিয়রে ভোট। তার আগে রাজ্যের কয়লা ও গরু পাচারকাণ্ডের তদন্তে কোমরবেঁধে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হানা দিচ্ছে সিবিআই ও ইডি। কয়লাকাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত পুরুলিয়ার নিতুড়িয়ার বাসিন্দা অনুপ মাঝি ওরফে লালা। এখনও তিনি বেপাত্তা৷ লালার খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। রাজ্যজুড়ে লালার সন্ধানে হানা দিচ্ছেন গোয়েন্দারা।
তবে  শিলিগুড়ি থেকে লালা-ঘনিষ্ঠ বামাপদ দে কে আটক করে সিবিআই (cbi)৷ তারপর তাকে কলকাতার নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হয়৷ সিবিআই সূত্রে খবর, প্রভাবশালীদের কাছে লালার( Lala) টাকা পৌঁছে দিত বামাপদ৷ তাঁর হাত দিয়ে সপ্তাহে কোটি, কোটি টাকার লেনদেন হতো৷ এবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেস্টা করা হচ্ছে কার কার কাছে গিয়েছে ওই টাকা৷

কয়লাকাণ্ডে (Coal Smuggling Scam) এর আগে দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোণীর ব্যবসায়ী রণধীর বার্নওয়ালের বাড়িতে হানা দিযেছিল সিবিআই। তাঁর অফিসেও সিবিআই তল্লাশি চলে৷ রণধীরের বিরুদ্ধে বিপুল টাকা বাজারে খাটানোর অভিযোগ রয়েছে। সিবিআই সূত্রের খবর প্রভাবশালীদের টাকা রাখতেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।