কলকাতা : করোনাকে আটকাতে লকডাউন জারি হয়। লকডাউনের জেরে বেশিরভাগ কল-কারখানা অফিসে কাজকর্ম বন্ধ। এর ফলে চাহিদার অভাবে ধাক্কা খাচ্ছে বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির উৎপাদন এবং আয়। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারগুলির অধীন বিদ্যুৎ সংস্থাগুলি কোল ইন্ডিয়া পাওনা টাকা না মেটানোয় সেই পাওনা বাড়তে বাড়তে এখন প্রায় ২২,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এমনটা চললে চরম অর্থ সংকটে পড়বে কোল ইন্ডিয়া তা বলাই বাহুল্য।

এই পরিস্থিতিতে টাকা আদায়ের জন্য বিদ্যুৎ সংস্থাগুলিতে কয়লা সরবরাহ কমাতে পারছে না কোল ইন্ডিয়া কারণ করোনা পরিস্থিতিতে উল্টো চাপ রয়েছে যেন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত না হয়। কিন্তু বকেয়া পাওনা নিয়ে এই অনিশ্চয়তায় পরিস্থিতি আরো জটিল করে তুলছে।

তাছাড়া এই সময় কয়লার চাহিদা আগের তুলনায় কম থাকছে।কোল ইন্ডিয়া যে পরিমাণ কয়লা উৎপাদন করে তার প্রায় ৮০ শতাংশ কেনে বিদ্যুৎ সংস্থাগুলি।

বিদ্যুৎ সংস্থার পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থা এই সময় কম কয়লা কিনছে। লক্ষ্য করা গিয়েছে, গত এপ্রিল মে জুন মাসে‌ গতবছরের এই সময়ের সাপেক্ষে বিদ্যুৎ সংস্থা গুলিতে ‌২২ শতাংশ কম কয়লা সরবরাহ হয়েছে। এর ফলে কোল ইন্ডিয়ার খনিগুদামে কয়লা জমছে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, লকডাউনের ফলে যেভাবে উৎপাদন শিল্প ব্যাহত হয়েছে অফিসের ঝাঁপ বন্ধ রয়েছে তারই প্রভাব পড়ছে এখন কোল ইন্ডিয়ার উপর।

এদিকে আবার কোল ইন্ডিয়ার এক কর্তা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এহেন পরিস্থিতিতে বকেয়া টাকা কবে পাওয়া যাবে সেটাই বোঝা যাচ্ছে না। তবে বিভিন্ন মহলের ধারণা, সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাসের আগে অবস্থার পরিবর্তন হবে না।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ