পূজা মণ্ডল, কলকাতা: অনশনের ২৫ দিন হতেই দানা বাঁধতে শুরু করেছিল ক্ষোভ। কারণ ২৬ দিন হলেই মহানগরের বুকে মাটি আঁকড়ে পরে থাকা ভবিষ্যৎ শিক্ষকদের আন্দোলন ছাপিয়ে যাবে ১২ বছর আগে মুখ্যমন্ত্রীর সিঙ্গুর আন্দোলনকে।

বিভিন্ন মহলেই হতাশা পুঞ্জিভূত হতে শুরু করেছিল। কেন এখনও ৪০০ মানুষের কাতর আর্তি স্পর্শ করছে না মুখ্যমন্ত্রীর অনুভূতি!

অবশেষে কিছুটা স্বস্তি। সোমবার অনশনকারী চাকুরী প্রার্থীদের বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট চেয়ে তলব করল মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনীর শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় পাশ করেও মেলেনি চাকরি। রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাই মহানগরীর বুকে ধর্নায় বসেছেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা চারশোরও বেশি মানুষ।

আরও পড়ুন- নীতি আয়োগের রাজীবকুমার উড়িয়ে দিলেন রাহুল গান্ধীর আর্থিক প্রতিশ্রুতি

২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে অনশনে বসেছেন তারা। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা, শারীরিক অসুস্থতা সর্বোপরি বেঁচে থাকার ন্যুনতম উপকরণগুলোও সঠিকভাবে মিলছে না। তার ওপর উপরি পাওনা পুলিশের হুমকি। তবুও অনশনে অনড় তাঁরা। স্পষ্ট দাবি, ” চাকরি দিন, নয় তো মৃত্যু দিন।” শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাস অবশ্য মিলেছে, কিন্তু তা লিখিত নয়। তাই ওঠেনি অনশন।

সোমবার এসএসসি ও স্কুল শিক্ষা দফতর থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর। চাকুরিপ্রার্থীদের দাবি কি এবং এ বিষয়ে স্কুল শিক্ষা দপ্তরের মন্তব্যই বা কি তা জানতে চাওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, সিএমও রিপোর্ট চাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জরুরি বৈঠক হয় মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।