কলকাতা: আজ সকালেই প্রয়াত হয়েছেন জ্ঞানপীঠ পুরস্কার প্রাপ্ত কবি শঙ্খ ঘোষ। করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন বিশিষ্ট এই কবি। আজ সকালে বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। শঙ্খ ঘোষের প্রয়াণে শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়াত কবির পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানয়ে শোকবার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শোকবার্তা:

তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ
পশ্চিমবঙ্গ সরকার
নবান্ন, ৩২৫ শরৎ চ্যাটার্জি রোড, হাওড়া ৭১১১০২

স্মারক সংখ্যা: ৬৪/আইসিএ/এনবি
তারিখ: ২১/৪/২০২১

মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তা

বিশিষ্ট কবি, সাহিত্য সমালোচক ও রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ শঙ্খ ঘোষের প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। তিনি আজ সকালে কলকাতায় নিজ বাসভবনে প্রয়াত হন। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

শঙ্খবাবু যাদবপুর, দিল্লি ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপনা করেছেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ বাবরের প্রার্থনা, মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে, ওকাম্পোর রবীন্দ্রনাথ, ধূম লেগেছে হৃদকমলে, এ আমির আবরণ।

জ্ঞানপীঠ, পদ্মভূষণ, দেশিকোত্তম, সাহিত্য অকাদেমি, রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কারসহ অজস্র সম্মানে তিনি ভূষিত হয়েছেন।

শঙ্খবাবুর সাথে আমার অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল।
তাঁর প্রয়াণে সাহিত্য জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি হল।

আমি প্রয়াত শঙ্খ ঘোষের আত্মীয় পরিজন ও অনুরাগীদের
আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

চলত মাসের ১২ তারিখ করোনার উপসর্গ দেখা দেয় বর্ষীয়ান কবির শরীরে। জ্বর আসে তাঁর। বাড়িতেই চিকিৎসা হচ্ছিল তাঁর। আজ সকাল ৮ টা নাগাদ শঙ্খ ঘোষ প্রয়াত হন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া বাঙালি সাহিত্য মহলে। দশকের পর দশক ধরে বাংলার কবিতা মহলে এক অনন্য জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোক সাহিত্যজগতে।
কবির পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন কবি শঙ্খ ঘোষ। কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর থেকে ছিলেন পুরোপুরি আইসোলেশনে। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ করেই তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করে। সকালে তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হলেও না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রিয় কবি। প্রয়াত কবির স্ত্রী, কন্যা ও জামাতাও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.