কলকাতা: স্বাস্থ্য-সাথী কার্ড নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের অধীনে না থাকলে রাজ্যের স্বাস্থ্য-সাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন প্রত্যেক রাজ্যবাসী। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

একুশের বিধানসভা ভোটের আগে একের পর এক জনমুকী প্রকল্পের ঘোষণা করে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নবান্নেও স্বাস্থ্য-সাথী প্রকল্প নিয়েও নয়া ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

এবার রাজ্যের প্রায় সব স্তর পর্যন্ত মানুষের হাতে স্বাস্থ্য-পরিষেবার মসৃণ পথ তুলে দিতে চায় সরকার। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যাঁদের কোনও স্বাস্থ্য বিমা নেই তাঁরা প্রত্যেকে এবার থেকে রাজ্যের স্বাস্থ্য-সাথী প্রকল্পের সুযোগ পাবেন।

বাংলার সাড়ে ৭ কোটি মানুষকে স্বাস্থ্য-সাথী প্রকল্পের আওতায় আনার ভাবনা রাজ্য সরকারের। রাজ্যের এই প্রকল্পে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমার ব্যবস্থা রয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালেও স্বাস্থ্য-সাথী কার্ড দেখিয়ে চিকিৎসার সুযোগ মিলছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে রাজ্যের স্বাস্থ্য-সাথী প্রকল্পের স্মার্ট কার্ড চালু হয়ে যাচ্ছে। পরিবারের একজন মহিলার নামে এই কার্ড করানো যাবে।

রাজ্য সরকারের উদ্যোগে শীঘ্রই চালু হচ্ছে ‘দুয়ারে-দুয়ারে’ সরকার প্রকল্প। সেই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ব্লক-ব্লকে ও পুরসভাগুলিতে গিয়ে স্বাস্থ্য-সাথী প্রকল্পের সুবিধা চেয়ে আবেদন করতে হবে নাগরিকদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।