কলকাতা: স্বাধীনতা দিবসের সকালে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন রেড রোডে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অনুষ্ঠান সেরেই মুখ্যমন্ত্রী সোজা চলে যান রাজভবনে। রাজ্যপালের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা সারেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজভবনে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

শনিবার সকালে প্রথমে রডে রোডে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অনুষ্ঠানে হাজির হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুষ্ঠান সেরেই সোজা চলে যান রাজভবনে। সেখানে গিয়ে বেশ খানিকক্ষণ দু’জনের বৈঠক চলে।

সূত্রের খবর, রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একাধিক ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। রাজভবন থেকে বেরিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, স্বাধীনতা দিবসের বিকেলে রাজভবনে বিশেষ অনুষ্ঠান থাকে। তবে এদিন বিকেলে সেই অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত থাকতে পারবেন না। সেই কারণেই মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে নিয়ে রাজভবনে এসে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে গেলেন।

পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যপালের দায়িত্ব নিয়ে আসার পর থেকেই রাজ্যের সঙ্গে একাধিক ইস্যুতে সংঘাতে জড়িয়েছেন জগদীপ ধনকড়। কখনও রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সরব হয়েছেন, কখনও আবার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে দুষেছনে রাজ্য সরকারকে। হালফিলে করোনা পরিস্থিতি ও রেশন বণ্টন নিয়েও রাজ্যপাল কাঠগড়ায় তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারকে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে দুষে কখনও সাংবাদিক বৈঠক করে আবার কখনও টুইট করে আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্যপাল ধনকড়। পাল্টা রাজ্যপালকে আক্রমণ করেও মাঠে নেমেছে শাসকশিবির। রাজ্যপালকে ‘বিজেপির এজেন্ট’ বলেও তোপ দাগতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী ও শাসকদলের নেতাকে।

dhankar-mamta

খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকী ধনকড়ের বিরুদ্ধে প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে অন্য ইস্যুতে বৈঠক হলেও রাজ্যপাল প্রসঙ্গে নালিশ ঠুকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগেও রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই সৌজন্যের পরেও রাজ্যকে আক্রমণ করা থেকে থেমে থাকেননি ধনকড়। রাজ্যের শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য, শিল্প থেকে আইন-শৃঙ্খলা সব কিছু নিয়েই রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন রাজ্যপাল। শনিবার ফের রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সাক্ষাৎ সারলেন মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমান পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জগদীপ ধনকড়ের মধ্যে এই সাক্ষাৎ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ তা বলাই বাহুল্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।