স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ১৩ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্মচারী বৈঠকে ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বিকেল ৪টের সময় ওই সভা হওয়ার কথা। তবে ওখানে জায়গা না পাওয়া গেলে কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে সভা হবে। শনিবার একথা জানিয়েছেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস প্রভাবিত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের দায়িত্বে থাকা শুভেন্দু অধিকারী৷

শনিবার কসবায় পরিবহণ দফতরের অফিস চত্বরে আয়োজিত তৃণমূল কংগ্রেস প্রভাবিত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের বর্ধিত বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, নিশ্চিতভাবেই সরকারের চিন্তাভাবনার বিষয়ে কিছু ঘোষণা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরই সরকারি কর্মী মহলে আশা বেড়েছে৷ এর আগেও তিনবার ফেডারেশনের সভায় এসে সরকারি কর্মীদের জন্য বর্ধিত হারে ডিএ সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সম্প্রতি স্যাট ডিএ মামলার রায়ে জানিয়েছে, বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করার আগে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে। বকেয়া ডিএ মেটাতে সরকারের বিপুল খরচ হবে।

লোকসভা ভোটে পোস্টাল ব্যালটের ফলাফলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের তীব্র ক্ষোভের ছবি ধরা পড়ে। বেতন না বাড়ার ফলেই রাজ্য সরকারি কর্মীরা যে সরকারের উপর ক্ষুব্ধ, তা উঠে আসে পর্যালোচনায়। এরপরই নড়েচড়ে বসে নবান্ন। ১৩ জুন নবান্নে বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান অভিরূপ সরকারের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র সচিবও। বৈঠকে ইতিবাচক আলোচনা হয় বলে জানা যায়।

এরপরই রিপোর্ট জমা দেওয়ার তোড়শোড় শুরু হয়। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, দু ভাগে লেখা হয়েছে রিপোর্ট। সেই রিপোর্ট লেখার কাজ প্রায় শেষ। আরও জানা যাচ্ছে, রিপোর্টে ১৪.৩ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করতে পারে ষষ্ঠ বেতন কমিশন। রিপোর্ট জমা পড়ার পরই ‘ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটি’ তৈরি করবে সরকার। সেই কমিটি সুপারিশে সম্মতি দিলেই নতুন বেতনক্রম চালু হয়ে যাবে। আর তা ওই বৈঠকেই ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷