কলকাতা: করোনা মোকাবিলায় সাধ্যের মধ্যে থাকা যাবতীয় পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্নে এমনই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকার ভগবান নয়, ম্যাজিশিয়ানও নয়। ক্রমাগত রাজ্যকে গালাগালি করা হচ্ছে। কোনও সাহায্য ছাড়াই কাজ করতে হচ্ছে সরকারকে।’

করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে গোটা বাংলায়। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেও সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট। তবে করোনা মোকাবিলা নিয়ে বিরোধীদের রাজ্যকে ক্রমাগত আক্রমণে মেজাজ হারালেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সফা কথা, ‘সরকার ভগবান নয়, ম্যাজিশিয়ানও নয়। ক্রমাগত রাজ্যকে গালাগালি করা হচ্ছে। কোনও সাহায্য ছাড়াই কাজ করতে হচ্ছে সরকারকে।’

এরই পাশাপাশি পরিস্থিতির কথা বিচার করে সবাইকে এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত কয়েকমাসে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি, মৃতদেহ দাহ করা নিয়ে ক্ষোভ বেড়েছে। এদিন সেই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পাড়ায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। শ্মশানে মৃতদেহ পোড়াতেও বাধা দিচ্ছে।’

করোনা মোকাবিলায় রাজ্যকে কোনও সাহায্য করা হচ্ছে না বলে অভিযেগা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কোনওরকম সহযোগিতা ছাড়া বাংলা যেভাবে কাজ করছে সেভাবে আর কেউ করছে না। একমাত্র এই রাজ্যেই কেন্দ্রের তরফে সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না।’

রাজ্যে করোনা মোকাবিলায় আরও ৪ হাজার বেড তৈরির কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘চিকিৎসকরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন। এই যুদ্ধ শুধু স্বাস্থ্যকর্মী বা পুলিশের নয়। এই যুদ্ধ সবার। যথা সম্ভব সকলে ঘরে থাকুন।’ হাসপাতালগুলিতে দিনের পর দিন করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

স্বভাবতই বেড পাওয়া নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী এপ্রসঙ্গে বলেন, ‘একজন করোনা রোগী ১৫ দিনের জন্য ভর্তি হচ্ছেন। সুস্থ হলে ১৪ দিনের আগেই তাঁকে ছাড়া হোক। স্বাস্থ্যে বাংলাই সেরা। সরকারি হাসপাতালগুলির পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ