স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলেজ স্ট্রিটের ধুন্ধুমার ঘিরে শাসক বিরোধী তরজা তুঙ্গে৷ তৃণমূল নেত্রীর উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরেই সংঘর্ষের ঘটনা বলে অভিযোগ বিজেপির৷ ঘটনায় ন্যায্য বিচারের দাবিতে এদিন নয়াদিল্লিতে কমিশনের দফতরে গিয়ে নালিশ জানিয়ে আসেন গেরুয়া শিবিরের দুই মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নাকভি ও নির্মলা সীতারমণ৷

কলকাতার এদিনের পরিস্থিতির জন্য তৃণমূল নেত্রীকে দায়ী করেন কেন্দ্রীয় দুই মন্ত্রী৷ সাংবাদিকদের মুক্তার আব্বাস নারভি বলেন, ‘‘বাংলায় গণতন্ত্র বিপন্ন৷ তার আরও একবার উদাহরণ পাওয়া গেল৷ বাংলায় ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই৷ বিজেপির পক্ষে মানুষের সমর্থন রয়েছে বলেই তৃণমূল গুণ্ডাগিরি করছে৷’’

বাংলায় শেষ দফা ভোটের আগে কমিশনকে আরও সক্রিয় হওয়ার আবেদন করা হয় পদ্ণ শিবিরের তরফে৷ মুক্তার নাকভি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্রমাগত উসনাকিমূল মন্তব্য করে চলছেন৷ ফলে নির্বাচনী প্রচারে তাঁকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করুক কমিশন৷’’ এছড়াও আরও দুটি দাবি পেশ করা হয়৷

কমিশনের নির্দেশে শেষ দফার ভোটের ৯টি লোকসভা আসনেই অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ শুরু করুক৷ এবং, এলাকায় দাগি অপরাধীদের আটক করা হোক৷ এক্ষেত্রে বিগত দিনের পুলিশ রিপোর্ট যেন নিরপেক্ষভাবে প্রাধান্য পায়৷ দাবি বিজেপির৷

ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সক্রিয়তা নিয়ে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো৷ পালটা বাহিনীতে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে বলে প্রশ্ন তুলেছে গেরুয়া শিবির৷ এই পরিস্থিতির মাঝেই অমিত শাহের রোড শো ও বিজেপি-টিএমসিপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কলেজ স্ট্রিট ও বিধান সরণি৷ তারপরই ফের কমিশনের দ্বারস্থ যুযুধান দুই শিবির৷ মুখ্যমন্ত্রী বজবজেই জানিয়েছেন, এই ঘটনায় কমিশনে নালিশ জানাবে রাজ্যের শাসক দল৷