কলকাতা২৪x৭: ভয়াবহ আকার নিল স্ট্র্যান্ড রোডের অগ্নিকান্ড। স্ট্রান্ড রোডের অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মৃত্যু হল সাতজনের। সাত জনেরই অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে রাজ্য প্রশাসন।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী নিজে দাঁড়িয়ে থেকে উদ্ধারকার্যের গোটা বিষয়টি তদারকি করছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, ডিজি ফায়ার জাভেদ শামিম, পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র, হোম সেক্রেটারি।

লিফটে উঠতে গিয়েই মৃত্যু হয়েছে সকলের বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। দমকলমন্ত্রী সুজিত বোসও একই কথা বলেছেন। ৫টি দেহ লিফটে, দুটো দেহ লিফটের বাইরে পড়ে ছিল। মুখ্যমন্ত্রী রেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী উষ্মা প্রকাশ করেছেন। বিল্ডিংয়ের ১৩ তলায় নতুন করে আগুন ছড়াচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। রেলের কাছ থেকে বিল্ডিংয়ের ম্যাপ চেয়েছিল দমকল কর্তৃপক্ষ কিন্তু সহযোগিতা মেলেনি বিলে জানান মমতা বন্দোপাধ্যায়।

একনজরে:

সাত জনের মৃত্যু, আরও দুজনের মৃত্যুর আশংকা রয়েছে

মৃতদের ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ

পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি

এটা রেলের জায়গা, কিন্তু দুর্ঘটনার সময় কোনও আধিকারিক ছিলেন না  ঘটনাস্থলে

রেলের কাছ থেকে বিল্ডিংয়ের ম্যাপ চেয়েছিল দমকল কর্তৃপক্ষ। সহযোগিতা মেলেনি

নিখোঁজ বা মৃতদের পরিবারের লোকেদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী কথা বলছেন।

লিফটে উঠতে গিয়েই মৃত্যু হয়েছে। বললেন মুখ্যমন্ত্রী। দমকলমন্ত্রী সুজিত বোস একই কথা বলেছেন।

৫টি দেহ লিফটে, দুটো দেহ লিফটের বাইরে পড়ে ছিল। মুখ্যমন্ত্রী রেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী উষ্মা প্রকাশ করেছেন।

১৩ তলায় আবার নতুন করে আগুন ছড়াচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এক মহিলা ছুটে আসেন। নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে সরিয়ে নেয়।

মৃতদেহ বার করে এসএডকেএম হাসপাতালে পোস্টমর্টেম করার জন্য নিয়ে যাওয়া হল বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান

মুখ্যমন্ত্রী নিজে দাঁড়িয়ে থেকে গোটা বিষয়টি তদারকি করছে। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, ডিজি ফায়ার জাভেদ শামিম, পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র, হোম সেক্রেটারি

সকলে উদ্ধার কাজ তদারকি করছেন। বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

একটি দেহ এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ময়না তদন্তের জন্য। বাকি দেহ নামানোর চেষ্টা চলছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।