ভোপাল: মধ্যপ্রদেশের রাজনৈতিক চাপান-উতোরে নতুন মোড়। সাংবাদিক বৈঠক করে পদত্যাগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। শুক্রবার পদত্যাগ করলেন তিনি। আর আগে বিজেপির বিরুদ্ধে উগরে দিলেন একরাশ ক্ষোভ।

কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজ্যপালের কাছে জমা দেবে পদত্যাগপত্র। এদিনই আস্থা ভোট হওয়ার কথা মধ্যপ্রদেশের বিধানসভায়। তার ঠিক আগেই পদত্যাগ করলেন কমল নাথ।

এদিন কমলনাথ বলেন, ‘বিজেপি মহারাজের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছে। একইসঙ্গে ২২ জন বিধায়কের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে মধ্যপ্রদেশের সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।’

শুক্রবার বিকেল ৫টার মধ্যে আস্থা ভোটের মাধ্যমে কমল নাথ সরকারকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। বিজেপির করা এক মামলার পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত জানায় যে মধ্যপ্রদেশের অনিশ্চয়তার পরিস্থিতি কাটাতে আস্থা ভোটের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত। সম্প্রতি জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পরেই মধ্যপ্রদেশে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হয়। জ্যোতিরাদিত্য ঘনিষ্ঠ ২২ জন বিধায়ক পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ করে অধ্যক্ষর দ্বারস্থ হন। তারপরেই সঙ্কটে পড়ে মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকার।

ইতিমধ্যেই ১০৭ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বিজেপির পক্ষে, যা কিনা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে ৩ জন বেশি। তাই মনে করা হচ্ছে এবার মধ্যপ্রদেশে ফের সরকার গড়তে চলেছে গেরুয়া দলই। আর তা যদি হয়, তাহলে তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির অভিজ্ঞ নেতা শিবরাজ সিং চৌহানেরই ক্ষমতায় ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।