কলকাতা:বিধানসভা ভোটের মুখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এখন পাখির চোখ হয়ে উঠছে কর্মসংস্থান। আর সে কথায় মাথায় রেখে তাকে এবার এ রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের বিষয় কিছুর ঘোষণা করতে দেখা গেল। মঙ্গলবার রাজ্য মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কর্ম সংস্থানের জন্য‌ ২০টি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যার ফলে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে কর্মসংস্থান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

একেবারে আমেরিকার সিলিকন ভ্যালিকে মাথায় রেখে নিউটাউনে তথ্য প্রযুক্তি হাব গড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এজন্য গত বছর নিউটাউনে ২০টি সংস্থাকে ১০০ একর জমি দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গতবছরে যে ১০০ একর দেওয়ার কথা ছিল তা পূরণ হয়েছে। এবার আরও ১০০ একর জমি চেয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা গুলি এবং তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন,উইপ্রো নতুন প্রকল্পের জন্য জমি চেয়েছিল রাজ্যের কাছে। সেই জমির ব্যাপারেও এদিন মন্ত্রী সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। উইপ্রো আবেদন জানিয়েছিল ইনফোসিসকে যে শর্তের জমি দেওয়া হয়েছিল সেই শর্তে যেন তাদের জমি দেওয়া হলে তারাও তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র গড়বে।

এদিকে ইনফোসিসকে নতুন প্রকল্প করার জন্য আহবান জানানো হয়েছিল। রাজ্যের সেই ডাকে সাড়া দিয়েছে ইনফোসিস। এর ফলে এই সংস্থাটি তাদের নতুন প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালের জুন মাসে শুরু করতে চায়। এজন্য ডিসেম্বর মাসেই নতুন প্রকল্পের খসড়া প্রস্তাব জমা দেবে। এক বছরের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।উইপ্রো এবং ইনফোসিস এই দুই বৃহৎ সংস্থার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে বলে মনে করছে রাজ্য সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।