নয়াদিল্লি: করোনা অতিমারীর জেরে অর্থাভাবে ভুগছে আইএসএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি। তার উপর আসন্ন মরশুমে দেশের কোনও একটি নির্দিষ্ট ভেন্যুতে টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে দর্শকহীন গ্যালারিতে। সবকিছু আঁচ করে আসন্ন মরশুমে টুর্নামেন্ট আয়োজক সংস্থা ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের কাছে ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি কমানোর আর্জি জানাল আইএসএল দলগুলো। আয়োজক সংস্থা আর্জি মেনে নিলে ক্ষতির পরিমাণ কমাতে পারে দলগুলো।

অন্যান্য বছর আইএসএলের দলগুলো কমবেশি ৩০ কোটি টাকার লোকসান করে থাকে। আসন্ন মরশুমে আবার করোনার জেরে সেই লোকসান কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেতে পারে। করোনার জেরে একটি রাজ্যের নির্দিষ্ট কয়েকটি ভেন্যুতে ফাঁকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে আইএসএলের ম্যাচগুলি। অর্থাৎ, ম্যাচ আয়োজন বাবদ কোনওরকম রেভিনিউ ঢুকবে না ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির ঘরে। পাশাপাশি ম্যাচ আয়োজন সংক্রান্ত আনুষাঙ্গিক বিভিন্ন রেভিনিউ থেকেও বঞ্চিত হবে তারা।

টুর্নামেন্ট আয়োজন করে লাভের পরিমাণ থেকে আইএসএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর জন্য বরাদ্দ থাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ। অংকটা ১৩ কোটির মতো। কিন্তু টুর্নামেন্টের ফি-বাবদ দলগুলোকে তার চেয়ে বেশ অর্থ এফএসডিএল’কে দিতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই করোনা এবং লকডাউনের জেরে আর্থিক মন্দায় ভুগতে থাকা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর এমন আর্জি উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। এবার দেখা যাক এফএসডিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ডাকে কতোটা সাড়া দেয়।

উল্লেখ্য, করোনা আবহে দর্শকহীন গ্যালারিতেই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আইএসএলের সপ্তম সংস্করণ। শুধু তাই নয়, দেশের একটি রাজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে ২০২০-২১ আইএসএলের ব্যপ্তি। সেই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে গোয়া এবং কেরল। চলতি মাসের শুরুতে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের একটি বিশ্বস্ত সূত্র পিটিআই’কে জানায়, ‘নভেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে লিগ ক্লোজ-ডোর অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়টা নিশ্চিত।

আয়োজক হিসেবে কেরল, গোয়া, পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্বের কোনও একটি রাজ্যগুলির মধ্যে ভেন্যু চূড়ান্ত করা হবে। তবে এই মুহূর্তে আয়োজক হিসেবে অবশ্যই সামনের সারিতে গোয়া এবং কেরল। একটি কিংবা দু’টি রাজ্যের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে লিগ আয়োজন করার প্রাথমিক পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ