নয়াদিল্লি : প্রশ্নের মুখে পিএম কেয়ারস ফান্ডের স্বচ্ছতা। এই ফান্ডের টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিলেন ১০০ জন প্রাক্তন আমলা। তাঁদের দাবি পিএম কেয়ারস ফান্ডে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। এই ফান্ডের টাকার অনুদানের উৎস সম্পর্কে সবার জানা উচিত। তাই এই ইস্যু নিয়ে মুখ খুলুন প্রধানমন্ত্রী মোদী। প্রকাশ্যে আনা হোক ফান্ডের আয় ব্যয়ের হিসেব।

অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের সেই চিঠি পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। কোনও রকম দুর্নীতির মুখে যাতে পড়তে না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক করেই এই চিঠি বলে জানানো হয়েছে। চিঠিতে প্রাক্তন আমলারা লিখেছেন করোনা পরিস্থিতিতে দেশ বেশ কঠিন আর্থিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। কিন্তু তারপরেও বড় অংকের অনুদান ঢুকেছে পিএম কেয়ারস ফান্ডে। এতে প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের মনে। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হোক। প্রধানমন্ত্রী নিজে এই ব্যাপারে উদ্যোগ নিন। কারণ দেশের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক এই পদের সম্মান রাখতে মোদীকেই উদ্যোগী হতে হবে।

চিঠি লিখেছেন প্রাক্তন আইএএস অফিসাররা, যাঁর মধ্যে রয়েছেন অনিতা অগ্নিহোত্রি, এসপি আমব্রোসে, শরদ বেহার, সাজ্জাদ হোসেন, হর্ষ মান্ধার, পি জয় ওম্মেন, অরুণা রায়, প্রাক্তন কূটনীতিক মধু ভাদুড়ি, দেব মুখার্জী, সুজাতা সিং, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার এ এস দুলাত, পি জি জে নামপোথিরি ও জুলিও রিবেইরোর মত আমলারা।

উল্লেখ্য, পিএম কেয়ারস ফান্ডের সদস্যরা হলেন প্রধানমন্ত্রী নিজে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। এদিকে, করোনা ভাইরাস অতিমারির মোকাবিলায় ২০২০ সালের মার্চ মাসে মোদী সরকারের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী কেয়ার্স ফান্ড (PM Cares Fund)। ৩১ মার্চ অবধি ৩ হাজার ৭৬ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে, এমনটাই জানায় ওয়েবসাইটের অডিট রিপোর্ট। প্রথম পাঁচদিনেই এই টাকার অংক পায় পিএম কেয়ার্স ফান্ড। PM Cares Fund দেশ এবং বিদেশ থেকে এই মোট অনুদান পেয়েছে বলে জানানো হয়।

অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩০,৭৬,৬২,৫৮,০৯৬ চুড়ান্ত ব্যালেন্স যা এই ফান্ডে জমা পড়েছে। এই অ্যাকাউন্ট প্রাইম মিনিস্টারের সিটিজেন অ্যাসিস্টেন্স এন্ড রিলিফ ইন ইমারজেন্সি সিচুয়েশনের সঙ্গে যুক্ত। বিরোধীদের একাধিক পিটিশন এবং সমালোচনা এসেছে প্রধানমন্ত্রীর পিএম কেয়ারস ফান্ডের স্বচ্ছতা নিয়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।