তেহরান: এবার মার্কিন সাম্রাজ্যের পতন ঘটবে । এমনটাই মনে করছেন ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কর্তা‌ আলী শামখানি। তার বক্তব্য, ‘বড় শয়তান’ আমেরিকার পতনের লক্ষণ আগের চেয়ে অনেক বেশি স্পষ্ট হয়েছে। পুলিশি হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে যেভাবে ‌আমেরিকায় অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে তার প্রেক্ষিতে তিনি টুইটারে বার্তা দিয়েছেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানির ওই টুইটার বার্তায়, বিক্ষোভকারীদের ভয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাটির তলায় বাংকারে আশ্রয় নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকার হুমকি উপেক্ষা করে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকার ভেনিজুয়েলা পৌঁছে গিয়েছে।

গত ২৫ মে মিনিয়াপোলিসে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড নির্মমভাবে নিহত হন।গণমাধ্যমে শ্বাসরোধকারী এই নৃশংস হত্যার ভিডিওতে ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি গোটা মার্কিন মুলুকে অশান্তির ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায় ।

ট্রাম্প প্রশাসন যতই ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করার চেষ্টাই করুক না কেন বাগে আনতে পারছে না উত্তেজিত জনতাকে। গত কয়েক দিনে অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে অন্তত ৩০টি শহরে। কারফিউ জারি করেও বিক্ষোভের আগুন নেভাতে ব্যর্থ হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। করোনা আটকাতে লকডাউন সামাজিক দূরত্ব বিধি ইত্যাদি কোনও কিছুই বলতে গেলে মানা হচ্ছে না।

এমনই অগ্নিগর্ভ পরিবেশ যে খোদ হোয়াইট হাউজের সামনে অশান্তির আগুন এসে পৌঁছে গিয়েছে। বেগতিক দেখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে খুব নিরাপদে আছেন বলে মনে করছেন না। তাই একেবারে মাটির তলায় বাংকারে ট্রাম্প আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে খবর ছড়িয়েছে। এদিকে আবার মিনিয়াপোলিসের প্রশাসন এই অশান্তির পিছনে বহিরাগতরা রয়েছে বলে আঙ্গুল তুলেছেন। ট্রাম্পের সন্দেহ গোটা বিষয়টা কি মদত দিচ্ছে অতিবাম গোষ্ঠী আন্টিফা নামক জঙ্গি সগঠন। যদিও আবার বিশেষজ্ঞদের অভিমত, অর্থনৈতিক দুরবস্থা বেকার সমস্যার পাশাপাশি ছিল বর্ণবিদ্বেষ জনিত ক্ষোভ। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে করোনা সংকট। সব মিলিয়ে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে গোটা মার্কিন মুলুকের মানুষের।

এদিকে আবার নিহত ফ্লয়েড এবং প্রতিবাদকারীদের পাশে থেকে সংহতির বার্তা দিয়েছেন সুন্দর পিচাই, সত্য নাদেলা, টিম কুকের মতো বাণিজ্যের দুনিয়ার নেতৃবৃন্দরা। কর্পোরেট জগতের এই কর্তারা প্রতিবাদরত কৃষ্ণাঙ্গদের জানিয়ে দিয়েছেন, তারাও তাদের সঙ্গে রয়েছেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও