লখনউঃ বারংবার নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণের ক্ষেত্রে শিরোনামে উঠে এসেছে যোগী রাজ্য। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিরোধীদের তরফে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।

একের পর এক নারী নির্যাতন এবং নাবালিকা ধর্ষণ বা অন্যান্য বেশ কিছু অপরাধ যা মহিলাদের সঙ্গে সম্পর্কিত তা সামনে আসার ফলে প্রশ্নের মুখে পরতে হয়েছে উত্তরপ্রদেশের প্রশাসনকে।

তবে এবারে ফের এক ক্লাস ৪ এর পড়ুয়াকে ধর্ষণের ঘটনা সামনে আসাতে প্রহস্নের মুখে যোগী রাজ্য। জানা গিয়েছে জেলা হাসপাতালের গাফিলতির কারণে ওই নাবালিকার চিকিৎসা শুরু করা যায়নি সময়ে।

স্থানীয় বিধায়ক এবং চাইল্ড লাইনের সহায়তা না পেলে এই বিষয়টি আরও জটিল হতে পারত বলেও মনে করা গিয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত । জানা গিয়েছে ওই নাবালিকার বাবা স্থানীয় এক চাশি।

১১ বছরের ওই নাবালিকাকে এক ২০ বছরের এক কিশোরের ধর্ষণ করার বিষয়টি সামনে আসাতে শুরু হয় উত্তেজনা। এও জানা গিয়েছে ধর্ষণের পরে ওই নাবালিকাকে শ্বাস রোধ করে খুন করার চেষ্টা করে ওই অভিযুক্ত।

বিষয়টি পরিবারের নজরে এলেতাদের তরফে দ্রুত ওই নাবালিকাকে নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে প্রাথমিক ভাবে পর্যবেক্ষণ করার পরেই ওই নাবালিকাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। যার জেরে ৪ দিন ধরে অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে ওই নাবালিকা বাড়িতে থাকে।

অবশেষে চাইল্ড লাইন এবং স্থানীয় বিধায়কের হস্তক্ষেপে ওই নাবালিকার চিকিৎসা শুরু করা হয়। জানা গিয়েছে ওই নাবালিকাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। দ্রুত ওই নাবালিকা সুস্থ হয়ে উঠবে বলেও মনে করা হচ্ছে।

এর আগে এই ধরনের ঘটনা ঘটার ফলে হয়েছিল তীব্র সমালোচনা। তবে ফের এই ঘটনা ঘটার ফলে প্রশ্নের মুখে প্রশাসনিক ব্যবস্থা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।