প্রীতম সরকার,রায়গঞ্জ: রাজ্যে প্রথম নজির গড়ল রায়গঞ্জের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এতদিন অনলাইনে পড়াশোনা চলছিল তো বটেই, এবার ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা্তেও অনলাইন ব্যবস্থা বেছে নিয়েছে রায়গঞ্জের গার্লস প্রাথমিক বিদ্যালয়।

এই বিদ্যালয়ে বেলা ১১ টা থেকে অনলাইনে প্রথম শ্রেণীর পরীক্ষা হয়েছে। প্রায় ৯০ শতাংশ ছাত্রছাত্রী এই পরীক্ষা দিয়েছে বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্কুলের শিক্ষিকা প্রীতি মল্লিক এই অনলাইন পরীক্ষাটি নিয়েছেন। আগামি ২২ তারিখ এই পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনেই দেওয়া হবে৷ এভাবেই তিনটি পর্বের পরীক্ষা নিয়ে বছরের শেষে ফাইনাল রেজাল্ট নির্ধারিত হবে৷

এই ব্যবস্থায় অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে৷ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌরাঙ্গ চৌহান জানিয়ছেন, ‘বাকি ক্লাসের পরীক্ষাও এভাবে পর্যায়ক্রমে হবে৷ আমরা চাই জেলাতে লকডাউনের কারনে স্কুল বন্ধ থাকলেও ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা ও পরীক্ষা স্বাভাবিক ভাবে চলুক ৷’

কিন্তু প্রত্যন্ত গ্রামে যে সব ছাত্রছাত্রীরা অনলাইন ক্লাস করতে অপারগ, তাদের কথা ভেবে তৃনমুল প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন ঠিক করেছে, শিক্ষিকারা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে পড়িয়ে আসবেন। সে কাজ করাও হচ্ছে। এবিষয়ে স্লোগান উঠেছে, “করোনা আজ অতিমারি, তাই শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি”।

রবিবার ছুটির দিনেই ১২ নং বিরঘই অঞ্চলের অন্তর্গত গোপালপুর আদিবাসি পাড়ায় গাছতলায় পাঠদান করলেন তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সদস্যরা। ১৫ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে করোনা সচেতনতা ও বাংলা, অঙ্ক, ইংরেজী বিষয়ের পাঠদান করা হয়েছে। প্রত্যন্ত গ্রামে আদিবাসী শিশুদের খাতা, কলম, মাস্ক দিয়ে সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে গাছতলায় বোর্ড ও চার্ট নিয়ে পাঠদান করা হয়েছে৷ পাঠদানে উপস্থিত ছিলেন গৌরাঙ্গ চৌহান, অরবিন্দ সিং, লিয়াকত হোসেন, বিপ্লব মন্ডলের মত শিক্ষক নেতৃত্বরা৷

 

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ