চুঁচুড়া: ফের জয় শ্রীরাম স্লোগান ঘিরে ধুন্ধুমার অবস্থা। বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মীদের সংঘর্ষে জখম এক বিজেপি কর্মী। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে যাওয়া পুলিশের গুলিতে জখম হয়েছেন বিজেপি আরও এক কর্মী।

ঘটনাটি হুগলী জেলার গুড়াপ থানা এলাকার। বুধবার বিকেলের দিকে বিজেপির একটি মিছিল থেকে সূত্রপাত হয় সেই সংঘর্ষের। অল্প সময়ের মধ্যে যা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। গুড়াপ থানা এলাকার ধনেখালি।

আরও পড়ুন- গণপিটুনিতেই মৃত্যু হয়েছিল তাবরেজের পিতার

পদ্ম শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে বিজেপির মিছিলের উপরে হামলা চালায় তৃণমূলের কর্মীরা। জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়া হয়েছে কেন? এই প্রশ্ন তুলে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপাতে শুরু করে বিজেপি কর্মীদের। টাঙ্গি দিয়ে কোপানোয় মারাত্মক জখম হয়েছেন বিজেপি কর্মী সাধন বাউল দাস। তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়তেই দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে চলে যায়। চিকিৎসার জন্য তাঁকে চুঁচুড়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান বিজেপি কর্মীরা।

অন্যদিকে, এই ঘটনার জেরে ধনেখালিতে রাতের দিকে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যায় গুড়াপ থানায় পুলিশ। সেই সময়ে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি কর্মীরা। এমন সময়েই উত্তেজনা এমন অবস্থায় যায় যে পুলিশের বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হয়। আর তাতেই জখম হন জয় চাঁদ মালিক নামের এক বিজেপি কর্মী। তাঁর বুকের বাঁ দিকে গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ জয় চাঁদকেও চুঁচুড়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন- প্রয়াত বাংলাদেশের গান্ধীবাদী সেবাকর্মী ঝর্না ধারা চৌধুরী

এই বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে বিক্ষোভরত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় পুলিশের। সেই সময়ে বিজেপি কর্মীরা পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। অসাবধানবসত সেই সময়ে গুলি চলে যায়। আর তাতেই জখম হয়েছেন বিজেপি কর্মী জয় চাঁদ মালিক। পুলিশের পক্ষ থেকে গুলি চালানোর কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার গুড়াপের ২৩ নং রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। সব এলাকার দোকানপাট কল কারখানা বন্ধ করে দেয় বিজেপি নেতা কর্মীরা। হুগলি জেলা বিজেপির ওবিসি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউয়ের নেতৃত্বে জখম কর্মীদের দেখতে হাসপাতালে যায় বিজেপি নেতাকর্মীরা।