স্টাফ রিপোর্টার, সবং: শুভেন্দু অধিকারীর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল।পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের কোলোন্দা গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে।

ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি তাজা বোমা। ভিত্তিহীন বলে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

তাদের দাবি, এটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের। পাল্টা জবাব দিয়েছে গেরুয়া শিবির। স্থানীয় সূ্ত্রে জানা গিয়েছে, ওই তৃণমূল কর্মীর নাম যুগল মালাকার। বাড়ি, সবং ৪ নম্বর ব্লকের দশোক গ্রামে।

সোমবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সবং-এ যান শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলকর্মী যুগলও। অভিযোগ, রাতে যখন ঘুমিয়ে ছিলেন , তখন মদ্যপ অবস্থায় হামলা চালায় বেশ কয়েকজন। ভাঙচুর করা হয় চেয়ার, টেবিল-সহ বাড়ির বিভিন্ন জিনিস।

এমনকী, রাতভর দফায় দফায় চলে বোমাবাজিও! যুগল মালাকারের অভিযোগ, যাঁরা হামলা চালিয়েছেন, তাঁরা সকলেই মানস ভুঁইয়ার অনুগামী। খবর পেয়ে রাতেই আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয় তাজা বোমা। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূলের অপর গোষ্ঠী।

দলের স্থানীয় নেতা অতনু সিনহা বলেন, ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। যুগল মালাকার বিজেপি কর্মী। তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়েছেন বিজেপি-র লোকেরাই।

গেরুয়াশিবিরের দাবি, এই হামলা শুভেন্দু অনুগামীদের সঙ্গে দিদির অনুগামীদের বিরোধের ফল। তাদের মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য, এখন রাজ্যে শুভেন্দু বনাম মমতার লড়াই চলছে। আর সেই লড়াইকে ধামাচাপা দিতে তাঁদের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।