স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট : তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল চরমে পৌঁছেছে দক্ষিণ দিনাজপুরে। গঙ্গারামপুরের উত্তর নারায়ণপুর এলাকার দলীয় কার্যালয় কোন গোষ্ঠীর দখলে থাকবে। তার জেরে মঙ্গলবার সকালে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে চলল গুলি। ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত দুই তৃণমূল কর্মীর নাম কালিপদ সরকার ও সঞ্জিত সরকার।

অভিযোগ, দক্ষিণ দিনাজপুরে তৃণমূল দল মূলত বিপ্লব মিত্র বনাম জেলা সভাপতি গৌতম দাস দুই গোষ্ঠীতে বিভক্ত। সম্প্রতি বিপ্লব মিত্রকে দলের জেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হলে সেই গন্ডগোল আরও চরমে পৌছায়। মঙ্গলবার সকালে প্রকাশ্য দিবালোকে তা রীতিমতো গোলাগুলির ও বাড়িতে অগ্নি সংযোগের পর্যায়ে পৌছায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে উত্তর নারায়ণপুরের ঝালডেঙি গ্রামে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ের দখলকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমে সংঘর্ষ ও পরে গুলি-পাল্টা গুলি এবং বাড়িঘরে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। জেলা সভাপতি গৌতম দাস গোষ্ঠীর কর্মী সঞ্জিত সরকারের মাথায় গুলি লাগলে তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে সঞ্জিত সরকারকে গুলি চালানোর ঘটনায় অভিযুক্তদের নেতৃত্বে থাকা বিপ্লব মিত্র অনুগামী তথা গঙ্গারামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কালিপদ সরকারকে বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লোকেরা ধাওয়া করলে রাস্তায় পড়ে গিয়ে অসুস্থ হন তিনি।

তাঁকে উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায়না উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দলীয় কার্যালয়ের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত বিপ্লব অনুগামী সুমন দাসের বাড়ি ও দোকানে আগুন লাগিয়ে দেন গৌতম গোষ্ঠীর লোকেরা।

দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভায়। এলাকায় রাফ(RAF) মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। ঘটনায় ছয়জনকে আটক করে জিজ্ঞাবাদ করছে পুলিশ।

যদিও গোষ্ঠী সংঘর্ষের কথা এড়িয়ে গেছেন সংসদ অর্পিতা ঘোষ ও রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দুজনেই। ঘটনায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র সঞ্জিত সরকারের মৃত্যুর ঘটনায় কালিপদ সরকার বা তাঁর অনুগামীদের কেউ জড়িত থাকার কথা সরাসরি অস্বীকার করেছেন।

তৃণমূলের জেলা সভাপতি গৌতম দাস জানিয়েছেন সঞ্জিত সরকার তৃণমূলের একজন ভালো কর্মী ছিলেন। তাঁকে খুনের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের কোনও ভাবেই রেয়াত করা হবে না।

পাশাপাশি কালিপদ সরকারের মৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন বিষয়টিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে। পুলিশ নিজেদের মতো করে তদন্ত করছে।

ঘটনার সাথে রাজনীতি বা ক্ষমতা দখলের কোনও বিষয় জড়িত রয়েছে কিনা সে ব্যাপারে পুলিশের পাশাপাশি দলের তরফেও তদন্ত করে দেখা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।