বনগাঁ: আস্থা ভোটকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র বনগাঁ পুরসভা। পুরবোর্ড দখলের দাবি তৃণমূলের। উরসভাব চত্বরে চলছে বোমাবাজি। ১৪৪ ধারা জারি করছিল পুলিশ। মোতায়েন রয়েছে র‍্যাফ। র‍্যাফের সামনেই চলছে বোমাবাজি।

বনগাঁ পুরসভার ২২টি আসনের মধ্যে ১৯টি আসন ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের৷ সম্প্রতি ১২ জন কাউন্সিলর বিজেপি-তে যোগ দেন৷ বিজেপি-তে যোগ দেওয়া এক মহিলা কাউন্সিলরের অভিযোগ, তাঁকে অপহরণ করে বিজেপি৷ ২ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান ওই মহিলা৷ অভিযুক্ত দুই কাউন্সিলর পলাতক৷ তাঁদের খুঁজছে বিজেপি৷

এদিন আস্থাভোটে অংশ নিল না বিজেপির কাউন্সিলররা। বনগাঁ পুরসভার বর্তমান পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন বিজেপি কাউন্সিলররা। তবে বিজেপির ১১ জন কাউন্সিলারের মধ্যে ২ জন কে পুরসভা তে ঢুকতে বাধা দেওয়ায় বিজেপির বাকি কাউন্সিলররা অংশ নিলেন না ১১আস্থা ভোটে। ফলে জয় হলো তৃণমূলের। ফের বোর্ড গড়তে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

বনগাঁ পুরসভার ২৩ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ১১ জন তৃণমূলের,১১ জন বিজেপির কাউন্সিলর আর ১ জন কংগ্রেস কাউন্সিলর আছেন। বিজেপি র দুই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এই ১১ জন তৃণমূল কাউন্সিলরের মধ্যে ২ জন কে অপহরন করার অভিযোগ আনা হয়। আর এই অপহরনের অভিযোগ থাকায় পুলিশ আজ ওই দুজন বিজেপি কাউন্সিলরকে ঢুকতেই দেয় নি।

অথচ ওই বিজেপি কাউন্সিলরদের দাবি তাদের কাছে কোর্টের দেওয়া আগাম জামিনের কপি থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাদের পুরসভার ভেতরে ঢুকতে দেয় নি। তাই বাকি ৯ জন বিজেপির কাউন্সিলর রাও আস্থা ভোটে অংশ না নিয়ে পুরসভা থেকে বেরিয়ে যান। ফলে আস্থা ভোটে উপস্থিত তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলররা তৃণমূল কংগ্রেসের পুরপ্রধানের প্রতি আস্থা ভোটে রায় দেন। ফলরূপ বনগাঁ পুরসভা তৃণমূলের দখলেই রয়ে গেলো। তবে এই আস্থা ভোট কে বিজেপি মানে না বলে জানিয়ে দেয় কারন তাদের বক্তব্য যে অপহরনের মিথ্যে অভিযোগে অভিযুক্ত বিজেপির ২ কাউন্সিলরদের কাছে আগাম জামিনের সফ্ট কপি থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃত পুলিশ সেটা না দেখে তাদেরকে পৌরসভায় ঢুকতে দেওয়া হয় নি তাই বাকি রাও আস্থা ভোটে অংশ না নিয়ে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। সুতরাং এই আস্থা ভোট বিজেপি মানছে না আর মানবেও না।