ফাইল ছবি

বারাকপুরঃ  সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বনধ। দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও শিল্প ভিত্তিক ফেডারেশন গুলির ডাকে সাত দফা দাবিতে দেশ জোড়া সাধারণ সাধারণ ধর্মঘটে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

রাজ্যের সর্বত্রই বনধের প্রভাব পড়তে দেখা গিয়েছে। সুনসান রাস্তাঘাট। সরকারী বাস রাস্তায় দেখা গেলেও বেসরকারী যানবাহন রাস্তায় নামেনি। বেশীরভাগ দোকানপাট বন্ধ।

জেলার উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্রই আজ রাস্তার দখল নিয়েছেন বাম কর্মী সমর্থকরা। পথ অবরোধ থেকে মিছিল চলছে জেলা জুড়েই। এরই মধ্যে বারাসতের হেলাবড়তলা মোড়ে ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে অশান্তি দানা বেধেছে। একটি পন্যবাহী গাড়িকে আটক করাকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। এরপর পুলিশ বাধা দিতে গেলে অশান্তি বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে লাঠিচার্জ ও পরে এলাকায় র‌্যাফ নামাতে হয়েছে।

সারা ভারত সাধারণ ধর্মঘটের সমর্থনে আজ বৃহস্পতিবার সকালে কামারহাটি বিধানসভার বিধায়ক তথা সিপিআইএম নেতা মানস মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কামারহাটি অঞ্চলের সিপিআইএম ও জাতীয় কংগ্রেস কর্মীরা যৌথ মিছিল করেন। কামারহাটি রথতলা মোড়ে এসে পথ অবরোধ করেন ।

১৫ মিনিট অবরোধের পরে আবার মিছিল করে তারা অন্যত্র চলে যায়। মিছিল গোটা কামারহাটি এলাকা প্রদক্ষিণ করে। জনবহুল রথ তলা মোড় অবরোধ হওয়ায় সেখানে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, ফলে নাকাল হন নিত্যযাত্রীরা। অন্যদিকে, শিয়ালদহ মেন শাখার আগরপাড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেল অবরোধ বাম সমর্থকদের।

সকাল থেকে শুরু হয় অবরোধ। যার জেরে শিয়ালদহ মেন লাইনে ট্রেন চলাচল বিঘ্ন হয়েছে। সকাল থেকে প্রায় ৩০ মিনিট অবরোধ করা হয় আগরপাড়ায়। পরে জিআরপি এবং আরপিএফ এর কর্মীরা এসে অবরোধকারী বাম সমর্থকদের হটিয়ে দেয়।

অপর দিকে এদিন ধর্মঘট সফল করবার উদ্দেশ্যে বারাকপুর ঘোষপাড়া রোড অবরোধ করেন সিপিএম কর্মী ও সমর্থকরা । গাড়ির টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে সিপিএম কর্মী সমর্থকরা। পরে টিটাগড় থানার পুলিশ এসে অবরোধকারীদের হটিয়ে দেয়। এই ঘটনায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয় ঘোষপাড়া রোডে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।