প্রতীকি ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত হলেন মাধবডিহি পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি। শাসক দল তৃণমূলের এই নেতা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়।

বুধবার মাধবডিহি থানার বড়বৈনানে ঘটনাটি ঘটে। ভোটের ফল নিয়ে দলীয় পর্যালোচনা বৈঠক করে বেরনোর সময় একদল মানুষ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাধবডিহি পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি আনসার আলি খানকে অতর্কিতে আক্রমন করেন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা জানিয়েছেন, বুধবার দুপুরে দলীয় কর্মীদের নিয়ে আনসার আলি যখন বৈঠক করছিলেন তখন কিছু বিজেপি এবং সিপিএম-এর সমর্থক সশস্ত্রভাবে আনসার আলিকে আক্রমণ করে। এই ঘটনায় তৃণমূল সমর্থক, কর্মী এবং নেতারা চমকে যান। কয়েক মিনিট সশস্ত্র আক্রমণ চালানোর পর দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।

তৃণমূলের কংগ্রেসের পূর্ব বর্ধমান জেলা সাধারণ সম্পাদক এবং দলীয় পর্যবেক্ষক উত্তম সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, ভোটের পর জেলা জুড়ে দলীয় পর্যালোচনা বৈঠক সর্বত্রই হচ্ছে। মাধবডিহি পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি তথা মাধবডিহি ব্লকের দলীয় সভাপতি আনসার আলি বড়বৈনান অফিসে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। আলোচনার শেষের দিকে বিজেপি এবং সিপিআই(এম) সমর্থক সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে। খবর পেয়ে মাধবডিহি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আনসার বাবুর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগায় তিনি বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন।

এই ঘটনায় পুলিশ কয়েকজনকে আটক করেছে। বিজেপির বর্ধমান জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী জানিয়েছেন, এই ঘটনায় আমাদের দলের কোনও নেতা-কর্মী যুক্ত নয়। সিপিআই (এম) দলের পক্ষ থেকেও অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, হাস্যকর অভিযোগ। অন্যদিকে, এদিন সন্ধ্যায় ভাতারের নবাব নগর ক্যাম্পে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এই ঘটনায় সুশান্ত বিশ্বাস নামে তৃণমূলের এক নেতা আহত হয়েছেন। তিনি বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।