সুভাষ বৈদ্য, কলকাতা: লোকসভা ভোটে খারাপ ফল তৃণমূলের৷ আর তাতেই শিবির বদল শুরু৷ মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তৈরি সিভিক ভলেন্টিয়ার পদ৷ এবার সেই সিভিক ভলেন্টিয়ারদের সংগঠনের রাজ্য সভাপতি সহ ৪০০জন যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে৷

সোমবার দুপুরে বিজেপির সদর দফতরে সিভিক পুলিশের একাংশ গেরুয়া শিবিরের নাম লেখাবেন। ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিক পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সঞ্জয় পোড়িয়ার নেতৃত্বে প্রায় ৪০০ সিভিক পুলিশ বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন।

সংগঠনের রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, ২০১৪ সালে ১০ জুলাই রানী রাসমণি রোডে একটি সমাবেশ হয়েছিল। সেদিন তারা তৎকালীন শ্রম দফতরের মন্ত্রী মলয় ঘটককে ডেপুটেশন দিয়েছিলেন। তাছাড়া তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তাদের সমস্যার কথা জানিয়ে চিঠি দিন। চিঠি দেওয়া হয় অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকেও৷

সেদিন থেকেই তারা দাবি করে আসছেন যে তাঁদের সামাজিক সুরক্ষা নেই। খুবই কম বেতন। তাও আবার অনিয়মিত। নেই কোনও ট্রেনিং। এই রাজ্যে এক লক্ষ ৩০ হাজার সিভিক পুলিশ রয়েছে। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি৷ উলটে জুটেছে লাঞ্ছনা৷

তাই ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তাদের দল বদল বলে দাবি সংগঠনের একাংশের৷ ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া৷ এই তিন জায়গাতেই ভালো ফল করেছে বিজেপি৷ প্রবণতা বলছে এই সব অঞ্চল থেকেই বেশি সিভিক ভলেন্টিয়াররা তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিতে চলেছেন গেরুয়া দলে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।