ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, ক্যানিং: ঝামেলার শুরুটা ছিল মাছ ধরা নিয়ে৷ পরে গিয়ে রাজনৈতিক রং লাগে৷ সংঘর্ষে জখম হন ১ মহিলা সহ ৭জন৷ আহতের মধ্যে দুজন সিভিক ভলেন্টিয়ার ও ছিলেন৷

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে সোমবার সকালে দূমকী পূর্বপাড়া গ্রামের নিমাই সরদারের একটি পুকুরে জোর করে মাছ ধরতে যায় সোনা সরদার ও গ্যাং৷ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি এরা প্রত্যেকেই যুব তৃণমূল সমর্থিত।

নির্দল কর্মী সমর্থক সোনা সরদার, উত্তম সরদার, বাবলু সরদার, সুরঞ্জিৎ সরদার, দেবু সরদার, প্রসেনজিৎ সরদার, তন্ময় সরদার, শ্যামল সরদার, রমেশ সরদাররা পুকুর দখল করে মাছ ধরতে গেল মালিক নিমাইয়ের সঙ্গে বচসা শুরু হয়৷ এরপরই লাঠি ও রড নিয়ে রণজিৎ প্রামাণিক, নিমাই সরদার,ধীমান প্রামাণিক,প্রণব প্রামাণিক,পুষ্প প্রামাণিক,অনুপ প্রামাণিক,সুদীপ শর্মাদের আক্রমণ করে বসে সোনা সরদার গ্যাং৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য চড়ায় এলাকায়।

এরপর স্থানীয় লোকজন আহতদের কে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে৷ সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অনুপ প্রামাণিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক৷

আহতদের মধ্যে রনজিৎ প্রামাণিক বলেন, “যুবতৃণমূল সমর্থিত নির্দল সমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাস চালাচ্ছে৷ হুমকী দিচ্ছে, এলাকায় থাকতে গেলে যুব তৃণমূল করতে হবে। আমরা তৃণমূল করি বলেই আমাদের উপর এমন আক্রমণ হয়েছে৷’’

এই ঘটনার ফলে আরও একবার তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব বাইরে এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷ যদিও ক্যানিংয়ের যুব তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি এই ঘটনায় কোনও রাজনীতি নেই৷