প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিআইএফআর তুলে দিয়ে বহু সাধারণ মানুষকে পথে বসাতে চলছে মোদী সরকার। শুধু তাই নয়, কর্পোরেট মালিকদের সুবিধা করে দিতেই কেন্দ্রীয় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শনিবার এমনই অভিযোগ করা হয়েছে বাম শ্রমিক সংগঠন সিটু।

এদিন সিটুর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির তরফ থেকে বিআইএফআর তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবী করা হয়েছে। সংগঠনের সম্পাদক দীপক দাশগুপ্ত এবং সভাপতি শ্যামল চক্রবর্তী একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন যে মালিক শ্রেণীর সুবিধা করে দেওয়ার জন্যই বিআইএফআর তুলে দেওয়া হলো। কর্পোরেট মালিকদের সুবিধা করে শ্রমিকদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার পদ্ধতিকে বৈধতা দেওয়া হল।

রাজ্যের রুগ্ন শিল্প সংস্থাগুলির পুনরুজ্জীবনের সম্ভাবনা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে কেন্দ্রের শ্রমিক বিরোধী মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে। বি আই এফ আর-এর তালিকাভুক্ত রাজ্যের শিল্প সংস্থাগুলির লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কর্মচারীর বকেয়া বেতন, পিএফ, গ্র্যাচুইটি, অবসরকালীন ভাতার টাকা পাওয়া কার্যত অনিশ্চিত হয়ে যাবে। সিটু দাবি জানাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারকে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে ও শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া অর্থ প্রদান সুনিশ্চিত করতে হবে।

বি আই এফ আর তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আগামী সোম ও মঙ্গলবার রাজ্যের প্রতিটি শিল্পাঞ্চলে, কারখানার গেটে, শ্রমিক মহল্লায়, এলাকার জনবহুল স্থানে মিছিল ও পথ সভা সংগঠিত করার আহবান জানানো হচ্ছে সিটুর পক্ষ থেকে। রাজ্যের সমস্ত শ্রমিক কর্মচারীকে এই ধিক্কার কর্মসূচীতে সামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে সিটু।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।