স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে যখন একের পর এক মামলায় জর্জরিত নির্বাচন কমিশন। ভোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই যখন দুশ্চিন্তার কালো মেঘ কাটেনি ঠিক তখনই মঙ্গলবার বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমার বিজয়ী প্রার্থীদের হাতে শংসয়পত্র তুলে দিল বিষ্ণুপুর মহকুমা প্রশাসন।

উল্লেখ্য এবার এই মহকুমার ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধিরা কোন প্রার্থীই দিতে পারেনি। সব কটি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় জয়লাভ করেছে শাসক দল তৃণমূল। যদিও এনিয়ে বিরোধিদের অভিযোগ শাসক দলের ‘সন্ত্রাসে’র কারণেই মনোনয়ন পত্র জমা করতে পারেনি তারা।

এদিন জয়ের শংসয়পত্র হাতে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে এসেই সবুজ আবির নিয়ে জয়ের উল্লাসে ফেটে পড়লেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। চলল আবির খেলা। উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের বিদায়ী সভাধিপতি অরূপ চক্রবর্তী, মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা।

এবার বিষ্ণুপুর মহকুমার তৃণমূল কংগ্রেসের, গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭৫৩ জন প্রার্থী, পঞ্চায়েত সমিতির ১৫৭ জন প্রার্থী এবং জেলা পরিষদের ১৩ জন প্রার্থীকে মঙ্গলবার মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশয়পত্র তুলে দেওয়া হয়। সকলেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয়ী হন।

যদিও দুটি জেলা পরিষদের আসনে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পত্র জমা পড়ে, কিন্তু দুজনেই শেষ মুহূর্তে তা প্রত্যাহার করে নেন। ফলে বিষ্ণুপুর মহকুমার সমস্ত আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন শাসক দলের প্রার্থীরা। বাঁকুড়া জেলা পরিষদের বিদায়ী সভাধিপতি অরুপ চক্রবর্তী ও এবার ইন্দাস থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন।

রাজ্যের গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা বলেন, এই জয় মানুষের জয়। উন্নয়নের জন্যই বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারেনি। যদিও বিরোধীদের অভিযোগ সন্ত্রাসের জন্যই প্রার্থী দেওয়া সম্ভব হয়নি।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প