স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আবারও অঙ্গদানে নজির গড়ল কলকাতা৷ এবার দাতা এবং গৃহীতা দু’জনেই এই রাজ্যের বাসিন্দা৷ বারুইপুরের বাসিন্দা চম্পা নস্কর কয়েকদিন আগে বাইপাসের ধারে মেডিকা হাসপাতালে ভরতি হন৷ কিন্তু হাসপাতালে ভরতি হওয়ার পর পরই তাঁর অবস্থায় অবনতি হতে থাকে৷

শনিবার চিকিৎসকরা জানান, ব্রেন ডেথ হয়েছে চম্পার৷ তারপরই চম্পার পরিবারের সদস্যরা অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত নেন৷ চিকিৎসকদের সঙ্গে শলা পরামর্শের পর জানা যায়, মৃতার হৃতপিন্ড ও কিডনি দান করা যাবে৷ হাসপাতালের পক্ষ থেকে অ্যাপেলো হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়৷ আলোচনার পর হৃৎপিণ্ড ও কিডনি গ্রহীতার খোঁজ মেলে৷

সেই অনুযায়ী ভোররাতে গ্রিন করিডরের মাধ্যমে বারুইপুর থেকে অ্যাপোলাতে পৌঁছয় মৃতার অঙ্গ৷ রবিবার বেলার দিকে দু’জনের শরীরে চম্পার অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হবে বলে জানা যাচ্ছে৷ হাসপাতাল সুত্রে খবর চম্পার অঙ্গ দুজন ব্যাক্তির শরীরে প্রতিস্থাপন করা হবে৷ একজনের অঙ্গে তাঁর কিডনি আরও এক ব্যক্তির অঙ্গে তাওর হৃৎপিন্ড প্রতিস্থাপন করা হবে৷ চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন শহরে এই প্রথম অঙ্গদানে দাতা ও গৃহীতা এই রাজ্যেরই বাসিন্দা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.