নয়াদিল্লি: একবার এমন ঘটনা ঘটে গিয়েছে৷ ঘটলে যে কী হতে পারে, তারও একটা ছাপ রেখে গিয়েছে ২৬/১১৷ এবার যদি আবার এমন হামলা হয়, তাহলে তার সঙ্গে কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে, তার প্রস্তুতি নিতে চাইছে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স বা CISF৷

পাঁচতারা হোটেলগুলিকে পরামর্শ দেওয়া হবে যাতে তারা ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি সামলাতে পারে৷ সেই সঙ্গে নিরাপত্তা রক্ষীদের দেওয়া হবে ট্রেনিংও৷

আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে কেঁপে উঠল ভূমিকম্পে

কেন্দ্রীয় প্যারামিলিটারি ফোর্স ৪৯তম রাইজিং ডে সেলিব্রেট করছে৷ সেখানেই জানা গিয়েছে পরামর্শ কীভাবে দেওয়া হবে, তার একটি পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছে তারা৷ পরিকল্পনা মাফিক তারা ব্লু প্রিন্টও তৈরি করে ফেলেছে৷ ২৬/১১-র মুম্বইয়ে তাজ হোটেলে বিস্ফোরণের পর ওই একই বছর পাকিস্তানের মারিয়ট হোটেলেও বিস্ফোরণ হয়৷ এরপর থেকেই CISF হোটেলগুলিতে এই বন্দোবস্ত করার কথা ভাবে৷ সূত্রের খবর, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পাঁচতারা হোটেলগুলিতে চিঠি পাঠাবেন তাঁরা৷

আরও পড়ুন: “ধন্যবাদ সুপ্রিম কোর্ট”, বলল ১০ বছরের ছেলে

জানা গিয়েছে, হোটেলের প্রতিটি জায়গায় সিসিটিভি বসাতে বলা হবে৷ রাখতে বলা হবে নিরাপত্তা রক্ষী৷ তাদের দেখানো হবে কীভাবে সবকিছু কন্ট্রোল করতে হয়৷ নিরাপত্তা রক্ষীদের ট্রেনিংও দেওয়া হবে৷ সেই সঙ্গে ইনস্টল করতে বলা হবে এমার্জেন্সি গ্যাজেট৷ এর জন্য এক একটি লাক্সারি হোটেলে খরচ পড়বে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা৷ সবকিছু হয়ে গেলে CISF এক্সপার্টরা পরিদর্শনে যাবেন৷

এর আগে CISF পাঁচতারা হোটেলে নিরাপত্তা দিতে অস্বীকার করেছিল৷ কিন্তু এখন তারা পরামর্শ দিতে রাজি হয়েছে৷ সম্প্রতি ২৮টি প্রাইভেট স্কুলে নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরামর্শ দিয়েছে তারা৷ গত বছর গুরুগ্রামে রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৭ বছরের ছাত্রের মৃত্যুর পর এই সিদ্ধান্ত নেয় CISF৷

আরও পড়ুন: সাতসকালে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে গুলি চালাল পাকিস্তান

যেসব স্কুলে তারা কথা বলছে, সেগুলি হল দেরাদুনের দুন স্কুল, কলকাতার লা মার্টিনি, গোয়ালিয়রের সিন্দিয়া স্কুল, দিল্লির ভারতীয় বিদ্যা ভবন, গ্রেটার নয়ডার গুরুস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল৷