কলকাতা: ফের করোনা আক্রান্ত সিআইএসএফ কর্মীর মৃত্যু কলকাতায়৷ ওই কর্মী গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্সে কর্মরত ছিলেন। কয়েকদিন আগে তাঁর করোনা ধরা পরে। তারপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ সেখানেই তার মৃত্যু হয়৷

এর আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে এক সিআইএসএফ অফিসারের মৃত্যু হয় কলকাতায়৷ তিনি গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডে কর্মরত ছিলেন৷ কিছুদিন আগে তার উপসর্গ দেখা দিলে বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়৷ তার লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হলে,সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷

শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু ঘটে। তারপরেই ওই কারখানায় কর্মরত সব সিআইএসএফ বা সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের জওয়ানদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়৷ এছাড়া ভারতীয় জাদুঘরে কর্তব্যরত সিআইএসএফ আধিকারিকের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়৷ তাঁর সংস্পর্শে আসা ৩৩ জন সিআইএসএফ জওয়ানকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়৷

কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মৃত্যু হয় সিআইএসএফ এক আধিকারিকের৷ অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার ওই জওয়ান ভারতীয় জাদুঘরে কর্মরত ছিলেন৷ তিনি পূর্ব বর্ধমানের কালনার বাসিন্দা৷ জাদুঘর কর্তৃপক্ষ ই-মেল করে জাদুঘরে সমস্ত কর্মীকে কাজে আসতে নিষেধ করে সেই সময়৷ জাদুঘর ও সংলগ্ন ব্যারাক জীবাণুমুক্ত করা হয়৷

কিছুদিন আগে গার্ডেনরিচের জাহাজ নির্মাণ কারখানায় একের পর এক সিআইএসএফ জওয়ান আক্রান্ত হন৷ এক সময় সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩৮ এ৷ তারপরই করোনা আতঙ্কে কাজ বন্ধ রাখা হয় কারখানায়৷ আক্রান্ত জওয়ানদের সংস্পর্শে যারা এসেছিলেন তাদের সনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়৷ সেই সময় কারখানার একটি অংশকে কন্টেইনমেন এলাকা বলে ঘোষণা করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।