কলকাতা: দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়েই চলেছে। নিত্য লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে একেবারে কাবু হয়ে গেছে দেশ। সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন রাজ্য জারি করছে প্রয়োজনীয় নিষেধাজ্ঞা। ইতিমধ্যে নাইট কার্ফু জারি করেছে একাধিক রাজ্য। লকডাউনের আশঙ্কায় জনজীবন। আর এই অনিশ্চিয়তার প্রভাব পড়েছে বিনোদনের দুনিয়ায়। আবারও বন্ধ হতে চলেছে সিনেমা হল।

করোনার জেরে কোন বড় বাজেটের ছবিই মুক্তি পাচ্ছে না। আর যে ছোট বাজেটের ছবি গুলি মুক্তি পেয়েছিল সেগুলি ব্যবসায়িক দিক থেকে খুব একটা লাভদায়ক ছিল না সিনেমা হল কর্তিপক্ষদের জন্য। তাই এমন পরিস্থিতিতে এক প্রকার বাধ্য হয়েই সিনেমা হল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিছু প্রেক্ষাগৃহের মালিক। আগামী ২৩শে এপ্রিল থেকে সাময়িক কালের জন্য বন্ধ থাকছে কিছু প্রেক্ষাগৃহ। সেই তালিকায় রয়েছে- নবীনা, মেনকা, জয়া, প্রিয়ার মত সিনেমা হল গুলি। এছাড়াও বেশ কিছু প্রেক্ষাগৃহের মালিক বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তায় আছেন বলে জানা গেছে।

একটি সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ‘প্রিয়া’ প্রেক্ষাগৃহের কর্নধর অরিজিৎ দত্ত জানিয়েছেন, বড় বাজেটের সিনেমা এলে তবেই তারা হল খুলবে। ছোট বাজেটের সিনেমায় হল চালান তাদের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না এই করোনা পরিস্থিতিতে। সরকারের কাছ থেকে কোন সাহায্য না পাওয়ায় তিনি কিছুটা আক্ষেপ জাহির করেছেন। ‘জয়া’ সিনেমা হলের মালিক মনোজিৎ বনিক দুঃখ করে বলেছেন, নিজের ব্যবসা কেউই বন্ধ করতে চায়না। হলে কোন ভালো ছবি নেই, দর্শক হলে এসে সিনেমা দেখছে না।

এদিকে বিদ্যুতের বিল ও পৌরসভার কর মেটাতে নাজেহাল দশা তাদের। তাই সিনেমা হল বন্ধ রাখাই তাদের কাছে শ্রেয়। ‘মেনকা’ হলের মালিক প্রনব রায়, কোন বড় বাজেটের ছবিই এখন মুক্তি পাওয়ার সম্ভবনা নেই বলেই জানিয়েছেন। তার স্পষ্ট বক্তব্য, সিনেমা নির্মাতারা যদি নিজেদের ভালো মন্দ বুঝে কাজ করতে পারে, তাহলে সিনেমা হল কর্তিপক্ষ কেন পারবে না।

যদিও ‘নবীনা’ প্রেক্ষাগৃহের মালিক নবীন বর্তমান পরিস্থিতির উপরই বেশি জোর দিয়ে বলেছেন, দেশের এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসাবে প্রেক্ষাগৃহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সংক্রমণ যে হারে বাড়ছে তাতে হলে এসে সিনেমা দেখার মানসিকতা খুব একটা নেই কারুর। তাছাড়া সিনেমা হলে যাতায়াতের ফলে সংক্রমণ বাড়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই সব মিলিয়ে তার এই সিদ্ধান্ত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.