কলকাতা: সাত সকালেই উদ্ধার হয়েছে বিজেপি নেতার ঝুলন্ত দেহ। সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। এদিন সকালে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছে বিজেপি নেতার।

এই ঘটনার পরই পরিবারের অভিযোগ, খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই ব্যক্তিকে। এছাড়া, বিজেপি নেতাদের দাবি খুন করে আত্মহত্যার ছক সাজানো হচ্ছে। দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, বাবুল সুপ্রিয়র মত নেতারা সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ওই নেতার শার্টের পকেটে মিলেছে সুইসাইড নোট। ওই সুইসাইড নোটে লেখা আছে দু’জনের নাম। মৃত্যুর জন্য ওই দু’জনকে দায়ী করা হয়েছে।

রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়েছে, সবরকমের তদন্ত চলছে। তদন্তের ফলাফল না আসা পর্যন্ত কেউ যেন অনুমানের উপর ভিত্তি না করে।

সোমবার সকালে বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে একটি দোকানের বারান্দা থেকে উদ্ধার হয়েছে হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃতদেহ। খুনের পর মৃতদেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন দেবেন্দ্রনাথ রায়।

জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে তাঁকে বাড়িতে ফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর থেকে আর বাড়ি ফেরেননি ওই বিধায়ক। সোমবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি বন্ধ দোকানের বারান্দা থেকে উদ্ধার হয় বিধায়কের ঝুলন্ত দেহ।

রায়গঞ্জের সুদর্শনপুরের বাসিন্দা তিনি। রবিবার সন্ধেয় বিন্দোলের বালিয়ার আদি বাড়িতে ফিরেছিলেন। পরিবারের দাবি, রাত একটা নাগাদ বেশ কয়েকজন যুবক তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর রাতভর তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষমেশ সোমবার সকালে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এভাবে কাউকে আত্মহত্যা করতে দেখেছে কেউ। খুন করা হয়েছে দেবেন্দ্রনাথ রায়কে। ওখানকার এক তৃণমূল নেতা এই ঘটনার পিছনে রয়েছে। ২০২১-এর ভোটের আগে পথের কাঁটা সরাতেই দেবেন্দ্রনাথ রায়কে খুন করা হল।’

‘বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়ে পেরে না ওঠায় রাজ্যে এবার খুনের রাজনীতি শুরু করেছে তৃণমূল’, এমনই অভিযোগ দিলীপ ঘোষের। তাঁর কথায়, ‘খুনের রাজনীতি শুরু করেছে তৃণমূল। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। রাজ্য পুলিশকে দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত করলে চলবে না। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে এর তদন্ত করাতে হবে।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ