জামাইকা: লক্ষ্য ২০২১ ভারতের মাটিতে টি২০ বিশ্বকাপের ট্রফি ধরে রাখা। আর সেই লক্ষ্যেই ‘ইউনিভার্স বস’ ক্রিস্টোফার হেনরি গেইলকে বিশ্বকাপের প্রাক্কালে জাতীয় দলে ডাক দিলেন জাতীয় নির্বাচকেরা। ৩ মার্চ থেকে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘরের মাটিতে শুরু হতে চলা টি২০ সিরিজের জন্য স্কোয়াডে ফিরলেন গেইল। ২০১৯ মার্চের পর জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন ঘটল তাঁর।

দ্বীপরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ঘরের মাটিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্ব প্রদান করবেন কায়রন পোলার্ড। নিকোলাস পুরান সামলাবেন পোলার্ডের ডেপুটির দায়িত্ব। ক্রিস গেইল ছাড়াও জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন ঘটল পেসার ফিডেল এডওয়ার্ডসের। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের জন্য জাতীয় দলে প্রথম ডাক পেলেন অফ-স্পিনার কেভিন সিনক্লেয়ার। টি২০-তে প্রথম সুযোগ পেলেন বাঁ-হাতি স্পিনার আকিল হোসেন। টি২০-র পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ওয়ান-ডে সিরিজেও নেতৃত্বের ব্যাটন থাকবে পোলার্ডের কাঁধে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটে বোর্ডের মুখ্য নির্বাচক রজার হার্পার জানিয়েছেন, ‘টি২০ বিশ্বকাপের খেতাব ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে সেরা দল তৈরির চেষ্টা করেছি আমরা। ক্রিস গেইল সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে দারুণ পারফর্ম করেছে। তাই নির্বাচকদের প্যানেল মনে করেছে সে এখনও দলের এক মূল্যবান সংযুক্তি হতে পারে। ফিডেল এডওয়ার্ডস নির্বাচিত হয়েছেন বোলিং বিভাগকে আর শক্তিশালী করতে। জেসন হোল্ডার সাম্প্রতিক সময়ে টি২০ ফর্ম্যাটে তাঁর মূল্য বুঝিয়েছেন। কয়েকটা সিরিজের পর দলের গভীরতা বাড়াতে স্কোয়াডে এসেছেন তিনি।

আকিল হোসেন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়ান-ডে সিরিজে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে। সিপিএলেও ওর পরিসংখ্যান উজ্জ্বল। সে কারণেই ওকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কেভিন সিনক্লেয়ার সুপার৫০ টুর্নামেন্ট থেকেই নজর কেড়েছিল। এছাড়া সিপিএলে ধারাবাহিকভাবে ও কৃপণ বোলিং করেছিল। ও দলের অফ-স্পিন বিভাগে বৈচিত্র্য আনবে।’

উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুর দিকে আবু ধাবির টি১০ লিগ সাক্ষী ছিল গেইলের ব্যাটিং তান্ডবের। টিম আবু ধাবির হয়ে মাত্র ২২ বলে ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস এসেছিল ‘ইউনিভার্স বসে’র ব্যাট থেকে। যা সাজানো ছিল ৯টি ছক্কা এবং ৬টি চার দিয়ে। মারাঠা আরাবিয়ানসের ৯৭ রান তাড়া করতে নেমে গেইলের ব্যাটিং ক্যারিশমায় মাত্র ৫.৩ ওভারেই জয় তুলে নিয়েছিল আবু ধাবি। প্রথমবার এই টুর্নামেন্ট খেলতে নেমে মাত্র ১২ বলে হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়ে টি১০ লিগে দ্রুততম শতরানের নিরিখে মহম্মদ শেহজাদকে ছুঁয়ে ফেলেছিলেন গেইল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।