কলকাতা: ঘরবন্দি মানুষ৷ তারমধ্যে অনেক জায়গায় রেশন না পাওয়ার অভিযোগ৷ অথচ রেশনের চাল-গম বেআইনি ভাবে মজুত রাখার অভিযোগ উঠল৷ এরপরই কলকাতা পুলিশ হানা দিয়ে রেশনের ৫০০ কেজি চাল-গম বাজেয়াপ্ত করে৷ গ্রেফতার করা হয় এক যুবককে৷

সোমবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় লকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ৷ চিৎপুর থানা এলাকার বীরপাড়া লেনে অভিযান চালিয়ে বাজেয়াপ্ত করা হয় ৪০০ কেজি চাল এবং ১০০ কেজি গম৷ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় এক যুবককে৷ ধৃতের নাম সুদীপ সাউ৷

লকডাউনের মধ্যে বেআইনি মজুতের অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন জায়গায়। এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকেরা বাজার-দোকানে নজরদারি চালাচ্ছেন। কিছু দিন আগে কাশীপুর এলাকা থেকে বেআইনি ভাবে চাল মজুত করার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করছিল পুলিশ।

শুধু বেআইনি মজুত নয়, বাজারের সব্জির দাম যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে সেদিকেও নজর রয়েছে আধিকারিকদের। অভিযোগ এলেই দ্রুত ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে লালবাজার। লকডাউন চলাকালীন বেআইনিভাবে চাল মজুত করার অভিযোগে ১ ব্যবসায়ী সহ ২ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট শাখা (ইবি)। কাশিপুর থানা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

গ্রেফতারের পাশাপাশি ৩৪৩ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।বাজেয়াপ্ত হওয়া চালের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা। গত শনিবার ইবি-এর অফিসারেরা খবর পান, কাশীপুর রোড এলাকায় একটি গুদামে বেআইনি ভাবে চাল মজুত করছেন এক ব্যবসায়ী। ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩৪২টি চালের বস্তা বাজেয়াপ্ত করা হয়। গ্রেফতার করা হয়েছে ওই ব্যবসায়ী সন্তোষ আগরওয়াল এবং আমির আনসারিকে।

কাশীপুর থানার পাশেই ছিল গুদামটি। লকডাউনের আওতা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বাজার, রেশন, ওষুধের দোকান সহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও জরুরি পরিষেবাগুলিকে। খুচরো বাজার-দোকানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জোগান যাতে স্বাভাবিক থাকে, তার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ-প্রশাসনকে সে দিকে নজর রাখতেও নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। কোনও ব্যবসায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস মজুত করার চেষ্টা করলে, তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।