জলপাইগুড়িঃ  বিরল প্রজাতির ফেরেট ব্যাজার উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়ালো ধূপগুড়িতে। একেবারে সুপারি বাগানের ঝোপে ঘাপটি মেরে বসেছিলো চাইনিজ ফেরেট ব্যাজারটি! পায়ে যখম থাকায় নড়তে চড়তে পারছিলো না এই বিরল দর্শন প্রানীটি।

কিন্তু সুপারি পারতে এসে স্থানীয় এক ব্যাক্তি দেখতে পায় তাকে। এরপর ধূপগুড়ির বাসিন্দা অনিকেত চক্রবর্তী নামে এক পরিবেশ কর্মীর হাতে তুলে দেয় প্রানীটিকে।

অনিকেত চক্রবর্তী জানান, মঙ্গলবার সকালে ধূপগুড়ি কালির হাট সংলগ্ন পাইকার পাড়ায় অদ্ভুত দর্শন প্রানী উদ্ধার হয়েছে বলে তার কাছে একটি ফোনকল আসে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি সেখানে ছুটে যান! গিয়ে দেখেন এটি একটি চাইনিজ ফেরেট ব্যাজার। তার পায়ে যখম আছে। তাই সে বেশি ছোটাছুটি করতে পারছিল না।

এরপর তাকে বস্তাবন্দি করে ধূপগুড়ি নিয়ে আসেন তিনি। শুরু হয় তার সেবা শুশ্রূষা। এরপর বন দফতরকে খবর দিলে বনকর্মীরা এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায় তাকে। কিন্তু চাইনিজ ফেরেট ব্যাজার আসলে কি? বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী জানা যাচ্ছে এটি একটি বেজী প্রানী।

এদের সাধারণত চিন, বার্মা, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম প্রভৃতি দেশের পাশাপাশি ভারতেও দেখা যায়। ভারতে বন্যপ্রাণী আইন অনুযায়ী এটি শিডিউল ১ প্রাণী! এটি নিশাচর হওয়ায় দিনের আলোয় এদের চলতে অসুবিধা হয়। অমনিভোরাস গোত্রের স্তন্যপায়ী হওয়ায় এরা কীট পতঙ্গ বা ছোট খাটো প্রাণীর পাশাপাশি গাছের ফল খেয়ে থাকে।

এরা লম্বায় সাধারণত এক থেকে দেড় ফুট পর্যন্ত হয়। এদের দেহে লম্বা ল্যাজ থাকে। এরা সাধারণত বছর দশেক পর্যন্ত বেচে থাকে।

তবে এই প্রথম নয় এর আগে ২০১৮ সালে ধূপগুড়ি গাদং এলাকায় একটি যখম অবস্থায় একটি চাইনিজ ফেরেট ব্যাজার উদ্ধার হয়েছিল। সেই সময় পবিত্র রায় নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা তাকে সেবা শুশ্রূষা করে বনদপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।