বেজিং: চিনে রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে রহস্যজনক ভাইরাস করোনা। ইতিমধ্যেই সে দেশে এই ভাইরাসের প্রভাবে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ২৫ জনের। আর এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা সে দেশে পৌঁছেছে ৮০০-এরও বেশি। এরই মাঝে সামনে এসেছে একটি ভয়ঙ্কর ভিডিও। যেখানে দেখা যাচ্ছে বাদুড় খাচ্ছেন এক মহিলা।

ভাইরাল হওয়া ভিডিও-তে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে একটি সু-সজ্জিত রেস্তোরাতে বাদুড়ের মাংস খাচ্ছেন এক চিনা তরুণী। ভিডিওটি ইতিমধ্যে ইন্টারনেটে রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, চিনের ইয়ুহান প্রদেশে এই নিশাচর প্রাণীদের স্যুপ খুব জনপ্রিয়। সংবাদ মাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে, ভাইরাস করোনার উৎপত্তি স্থলও ওই ইয়ুহান প্রদেশ।

যে তরুণী ওই বাদুড় খাচ্ছিলেন তাঁর সামনের বাটিতে রাখা ছিল আরও একটি ডিস। সেটিতে বাদুড়ের স্যুপ ছিল। করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের মধ্যেই এই ভিডিও ভাইরাল হতেই রীতিমতো সাড়া পড়ে গিয়েছে নেট দুনিয়ায়।

বাদুড়ের পাশাপাশি বেশ কিছু বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, সাপ থেকে ছড়াচ্ছে এই ভাইরাস। অন্যদিকে উঠে এসেছে আরও একটি মত। বলা হচ্ছে দুটি ভাইরাসের সম্মিলিত রূপ হল করোনা ভাইরাস। এর মধ্যে একটি উৎস হল বাদুড়, অপর উৎসটিকে এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। মানব দেহে প্রবেশের আগে এই ভাইরাসকে শেষবার দেখা গিয়েছে সাপের শরীরে। তাই অনেকের বক্তব্য, বাদুড়ের দেহ থেকে সাপের শরীরে প্রবেশ করেছে এই ভাইরাস।

চিনের বেশ কিছু এলাকায় সাপ নিয়ে রীতিমতো নাড়াচাড়া করা হয়। পাশাপাশি চিনে সাপ খাওয়াও হয়। সেভাবেই এই ভাইরাস মানব শরীরে প্রবেশ করতে পারে। অনেকের আবার বক্তব্য, বাদুড়ের দেহ থেকেও সরাসরি মানুষের শরীরে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে।

ভারতে এই রোগের প্রকোপ যাতে কোনও ভাবে বৃদ্ধি না পায়, সে ব্যাপারে সতর্ক নয়া দিল্লি। কলকাতা সহ দেশের ৭টি বিমানবন্দরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। চিন থেকে আসা যাত্রীদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I