বেজিং:  করোনা ভাইরাসের জেরে এই মুহূর্তে গোটা বিশ্ব আতঙ্কিত। তবে তাঁর মধ্যেই চিনে ঘটল এক অদ্ভুত ঘটনা। যা দেখে রীতিমত তাজ্জব অনেকেই। সোশ্যাল মিডিয়াতে ইতিমধ্যে ভাইরাল সেই অদ্ভুত ঘটনা। যা এক ঝলক দেখে অনেকেই চমকে উঠছেন। সবার একটাই প্রশ্ন, কীভাবে এই আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটল! প্রবল গতিতে বয়ে গিয়েছে সাইক্লোন হাগুপিত। সঙ্গে প্রবল গতিতে হাওয়া বয়েছে।

মূলত সাইক্লোনের কারণেই প্রবল হাওয়া বয়ে যায়। আর সেই প্রবল হাওয়ার কারণেই চিনের একটি জলপ্রপাতের জল হঠাত করেই বইতে শুরু করে উল্টো দিকে। যা দেখে অবাক হয়ে যান অনেকে।

সাধারণ ভাবে যে কোন জলপ্রপাতের জল সোজা দিকে নেমে যায়। কিন্তু এই ধরনের ঘটনা হঠাত এক ঝলক দেখে চমকে ওঠেন অনেকেই। কীভাবে ঘটল এই ঘটনা? আগেই এই ঘূর্ণি ঝড় নিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল সাধারণকে।

আর সেই কারণে প্রায় ৩৮০০০০ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল নিরাপদ স্থানে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ভয়ঙ্কর গতিতে এই সাইক্লোন আছড়ে পড়ে। আর তাঁর জেরে জে জিয়াংয়ে প্রবল ভূমিধ্বসের ঘটনাও ঘটে ছিল। তবে এখনও পর্যন্ত হতাহতের বিস্তারিত খবর সামনে আসেনি।

জানা গিয়েছে, হাগুপিত ঘূর্ণিঝড় হল এই বছরে চতুর্থ ঘূর্ণিঝড়। যা ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ আছড়ে পড়েছিল লেকিং এলাকাতে। আর তারপরে ধীরে ধীরে সেখান থেকে অন্যান্য এলাকাতে ছড়িয়ে পড়ে। চিনের জাতীয় মৌসম ভবনের তরফে জানা গিয়েছে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই ঝড়ের গতি ক্রমেই বেড়েছিল।

প্রায় ঘণ্টা প্রতি ১০৮ কিলোমিটার ওই ঝড়ের গতি দাঁড়িয়েছিল। যদিও প্রশাসনের তরফে সাংহাই সহ সীমান্তবর্তি এলাকা ও স্থানীয় শহরগুলিতে জারি করা হয়েছিল কড়া সতর্কতা। স্থানীয় আবহাওয়া দফতরের তরফে জানা গিয়েছে, পূর্ব অংশে হাওয়ার গতিবেগ ছিল প্রায় ১২৫.৬ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

আগেই ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। সেই মত ঝড়ের সঙ্গে শুরু হয়েছিল তীব্র বৃষ্টিপাত। প্রবল হাওয়া এবং বৃষ্টিপাতের কারণে জি জিয়াং শহরের বেশ কয়েক জায়গাতে গাছ পড়ে গিয়েছে রাস্তার উপরে। আর এই প্রবল এই হাওয়ার কারনেই উলটো দিকে হঠাত করে উঠতে শুরু করে জলপ্রপাতের জল। আর তা কিছু স্থানীয় মানুষ ক্যামেরা বন্দি করে ফেলেন। আর তা করা মাত্র সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।