নয়াদিল্লি: লাদাখে সংঘাত জারি রয়েছে একনও। শনিবারই সমস্যা সমাধান করতে বৈঠকে বসছেন দুই দেশের লেফট্যানেন্ট জেনারেল। চুশুলের কাছেই চিনের দিকে হবে এই বৈঠক। ইতিমধ্যেই সেই বৈঠক শুরু হয়েছে।

কিন্তু চিন আগেই এই সংঘাত নিয়ে অভিযোগ তুলেছে ভারতের বিরুদ্ধে। তাদের দাবি, ভারতই নাকি সীমান্তে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। অবিলম্বে ভারতকে এই ধরনের ব্যবহার বন্ধ করার বার্তাও দিয়েছে চিন।

চিনের এক সংবাদমাধ্যমে এমন দাবি করা হয়েছে। লাদাখের সংঘাত প্রসঙ্গে সেখানে লেখা হয়েছে, ‘ভারতের উচিৎ অবিলম্পে উত্তেজক কার্যকলাপ বন্ধ করা।’ নাহলে এই সমস্যা কোনোদিনই সমাধান হবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার কথা বলেছেন চিনা বিশেষজ্ঞরা।

ওই ট্যাবলেটে আরও লেখা হয়েছে যে, গত মে মাস থেকে ভারত সীমান্ত অতিক্রম করে গালোয়ান ভ্যালিতে চিনের দিকে প্রবেশ করছিল। চিনা সেনাবাহিনীর স্বাভাবিক কার্যকলাপে বাধা দেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছেএ।

ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, সেনা সূত্রে খবর, লাদাখ সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে চিন যুদ্ধাস্ত্র মজুত করছে। দিনে-দিনে সেইসব সমরাস্ত্রের বহর বাড়ানো হচ্ছে। একইসঙ্গে সীমান্তে সেনা গতিবিধিও লক্ষ্যণীয়ভাবে বাড়াচ্ছে বেজিং। চিনা গতিবিধি তৎপর হতেই পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে ভারতও।

শেষ একমাসে ভারত-চিন সম্পর্কের তিক্ততা কাটাতে কূটনৈতিকস্তরে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও শেষমেশ তার ফলাফল অশ্বডিম্ব। সীমান্তের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় চিন ক্ষমতা কায়েম করতে বিশালসংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছে ভারতও শক্তি প্রদর্শনে পিছিয়ে যায়নি।

সরকারি সূত্রে খবর মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে এক জওয়ান করোনা আক্রান্ত হন। এতে কড়া নজরদারি শুরু হয়। সেনাবাহিনীর কোনও বৈঠক করা যায়নি। কোনও জমায়েত বা প্রশিক্ষণ করা যায়নি। ফলে ব্যহত হয়েছে সেনার মহড়া। ওই মার্চ মাসে অবশ্য চিন সেনাও কোনও মহড়া দিতে পারেনি করোনার জেরে। কিন্তু ফের লাদাখে মহড়া দিতে এলে ভারতের রণসজ্জা দেখে চিন্তায় পড়ে চিন। প্যাংগং লেকের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে রাস্তা তৈরির কাজ তখন শুরু করে দিয়েছে ভারত।

উল্লেখ্য এই লেকের পূর্ব প্রান্ত চিনের সীমান্ত হলেও, পশ্চিম প্রান্ত ভারতের অধীনে। সেখানেই রাস্তা তৈরি করেছে ভারত। তা নিয়েই আপত্তি চিনের। এই টানাপোড়েনে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে বিশ্বের সর্বোচ্চ সীমান্তের এলএসি (লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল) জুড়ে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।