লে: লাদাখে সংঘাত চলছে বেশ কয়েক মাস হয়ে গেল। প্রবল ঠাণ্ডায় কড়া পাহারায় দাঁড়িয়ে আছে ভারতীয় সেনা। এবার সেই লাদাখেই লাউডস্পিকার লাগাল চিন।

এটা চিনের সেনাবাহিনীর নতুন কোনও স্ট্র্যাটেজি বলে মনে করা হচ্ছে। ফিংগার ৪ এলাকায় এই লাউডস্পিকার লাগানো হয়েছে।

মনে করা হচ্ছে, চিন ভারতের সঙ্গে সাইকোলজিক্যাল ওয়ারফেয়ারের পথে যেতে চলেছে। ইতিমধ্যেই রেজাং লা ও রেচিন লা থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে চিন। আর তারপরই এইভাবে লাউডস্পিকার লাগাতে দেখা গেল চিনকে।

ইতিমধ্যেই লোকসভায় বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও ভাবেই চিনের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক চাইছে না ভারত। এমনকী এতগুলি সংঘাতের ঘটনা ঘটলেও চিনের সঙ্গে ভারতের বন্ধন নষ্ট হয়নি।

বিদেশমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী ভি মুরলিধরণ এদিন এক লিখিত জবাবে এই তথ্য দেন। কেন্দ্রের কাছে এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। মুরলিধরণ জানান, এখনও পর্যন্ত ভারত ও চিনের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট হয়নি। কিছুটা তিক্ততা থাকলেও, পুরোপুরি সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি। দুই দেশই স্থিতাবস্থা ফেরাতে বৈঠকের টেবিলে বসছে।

এদিন বিদেশমন্ত্রক জানায়, প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখাই ভারতের বিদেশনীতির প্রধান লক্ষ্য। বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশের উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতিতে ভারত বারবার এগিয়ে গিয়েছে। একাধিক প্রতিবেশী দেশে বেশ কিছু পরিকাঠামোগত ও উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছে ভারত।

এদিকে, বুধবার সংসদে কেন্দ্রের তরফে সাফ জানানো হল, ‘গত ৬ মাসে ভারত-চিন সীমান্তে কোনও অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি’। যদিও কেন্দ্রের এই জবাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। গত কয়েক মাস একাধিক সংবাদমাধ্যমে ভারত-চিন সীমান্তে অনুপ্রবেশের খবর প্রকাশিত হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে…

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।