নয়াদিল্লি: শুনতে অনেকটা এরকমই লাগে৷ হিং চিং পু যদিও এই শব্দগুলি তেমন প্রচলিত নয়৷ তবে এই সব শিখেই চিনা সৈন্যের মোকাবিলায় প্রস্তুত হচ্ছেন ভারতীয় জওয়ানরা৷ আর সেই নিয়ে চিন্তার ভাঁজ বেজিংয়ের কপালে৷ জওয়ানদের এই চিনা ভাষাজ্ঞান তাদের অনেকক্ষেত্রে সুবিধা পাইয়ে দেবে বলে মনে করছেন চিনের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা৷

ফেব্রুয়ারিতে জানা গিয়েছিল, ২৫ জন ভারতীয় জওয়ানকে চিনা ভাষা শেখানোর জন্য পাঠানো হয়েছে৷ মধ্য প্রদেশের রাইয়েন জেলায় সাঁচি ইউনিভার্সিটি অফ বুদ্ধিস্ট ইন্ডিক স্টাডিজে জওয়ানদের চিনা ভাষার শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে৷ সেখান থেকে তাঁদের সার্টিফিকেট কোর্স করানো হচ্ছে৷ ভারতীয় জওয়ানরা চিনা ভাষা শিখলে সীমান্তে ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো যাবে বলে মনে করছে ভারত৷ কিন্তু বিষয়টিকে এতটা হালকাভাবে নিতে নারাজ চিন৷ ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো যাওয়ার কথা অস্বীকার করছে না তারা৷ কিন্তু সেই সঙ্গে এও বলছে, যুদ্ধের সময় চিনা ভাষা শেখার ফলে ভারতীয় জওয়ানরা সুবিধা ভোগ করবে৷ চিনাদের রণনীতি বুঝে ফেলাও অসম্ভব নয়৷

“শান্তি ও সমঝোতার ক্ষেত্রে এই ভাষাজ্ঞানের জন্য কথোপকথনে সুবিধা হবে৷ কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রে এই ভাষাজ্ঞানই একটি অস্ত্র৷” বলেছেন সাংহাই অ্যাকাডেমি অফ সোশ্যাল সায়েন্সের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গবেষক হু জিনইয়ং৷ তিনি আরও বলেছেন, ভারতকার্যকর এবং টার্গেট করে কৌশল তৈরি করছে৷ যুদ্ধের সময় চিনা শত্রুরা কী ভাবছে, তা তারা সহজেই বুঝতে পারবে৷

মিলিটারি এক্সপার্ট সং জোংপিং আরও একধাপ এগিয়ে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন৷ বলেছেন, সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি হাতে রাখতে পারবে ভারত৷ শুধুমাত্র চিনা ভাষা শেখার জন্যই এই সুবিধা তারা পাবে৷ চিনা ভাষাজ্ঞান থাকার জন্য যুদ্ধ তো বটেই, পরিস্থিতি ঠান্ডা থাকলেও ভারত চিনাদের কতাবার্তা বুঝতে পারবে৷ ফলে পরিস্থিতির আঁচ পাবে তারা৷ অনেক বিশেষজ্ঞ আবার চিনা জওয়ানদের হিন্দি ভাষা শেখার পরামর্শ দিয়েছেন৷