নয়াদিল্লি: করোনার ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারক দুই ভারতীয় সংস্থাকে নিশানা করেছে চিনা হ্যাকাররা। সাইবার গোয়েন্দা সংস্থা সাইফিরমা সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, চিনের একটি হ্যাকিং গ্রুপ সম্প্রতি দুই ভারতীয় ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারক সংস্থার প্রযুক্তিগত পদ্ধতিকে টার্গেট করেছে। ইতিমধ্যেই চিন এবং ভারত দু’টি দেশই বিশ্বের বহু দেশকে নিজেদের তৈরি ভ্যাক্সিন পাঠিয়েছে। তবে বিশ্বব্যাপী বিক্রি হওয়া সব ভ্যাক্সিনের ৬০ শতাংশেরও বেশি ভারতেই উত্পাদন হয়।

সিঙ্গাপুর ও টোকিওতে অবস্থিত গোল্ডম্যান স্যাশের তৈরি সাইবার গোয়েন্দা সংস্থা সাইফিরমা জানিয়েছে, স্টোন পান্ডা নামে পরিচিত চিনা হ্যাকিং গ্রুপ এপিটি টেন। এই হ্যাকিং গ্রুপটি ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট ও ভারত বায়োটেককে টার্গেট করেছে। এই দুটি সংস্থা ভারতে করোনার ভ্যাক্সিন তৈরি করছে।

এই দুই সংস্থার আইটি পরিকাঠামো হ্যাক করে তথ্য চুরি ও ভ্যাক্সিন সরবরাহের চেইনের তথ্য চুরির চেষ্টা করছে চিনা হ্যাকাররা। সাইফিরমার চিফ এক্সিকিউটিভ কুমার রিতেশ বলেছেন, ‘‘ভারতীয় ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থাগুলির তথ্য হাতানোর মাধ্যমে প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে নানারকমের ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, চিনা হ্যাকাররা ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট ও ভারত বায়োটেককে টার্গেট করেছে।

উল্লেখ্য, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার কোভিশিল্ড ভারতে তৈরি করছে পুণের সেরাম ইন্সটিটিউট। এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থা। অন্যদিকে, হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেক ও আইসিএমআর-এর যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি হয়েছে কোভ্যাক্সিন। ভারতে জরুরি ভিত্তিতে এই দুটি ভ্যাক্সিনকেই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। এই দুটি ভ্যাক্সিনের প্রয়োগ জোরকদমে চলছে দেশজুড়ে।

দিন কয়েক আগেও এমনই একটি তথ্য হাতে আসায় নড়েচড়ে বসে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের করোনা টিকা তথ্য চুরির ছক কষছে সাইবার অপরাধীরা। ভারতের টিকা প্রস্তুতকারক একাধিক সংস্থা চিন ও রাশিয়ান হ্যাকারদের নজরে। সেই সংস্থাগুলির নেটওয়ার্ক থেকেই টিকার তথ্য চুরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে হ্যাকাররা। এমনই খবর মেলার পর নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে টিকা তৈরির তথ্যের গোপনীয় রক্ষা করতে সবরকম পদক্ষেপ নিতে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।