নয়াদিল্লি: চিনা পণ্য বয়কটের আওয়াজ উঠেছে এদেশে। আর তারই প্রভাব পড়েছে চিনের ভারতে পণ্য রফতানিতে। চিন সরকারের তথ্য জানাচ্ছে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে গত বছরের তুলনায় ভারতে রফতানি পরিমাণ ২৪.৭ শতাংশ কমে গিয়ে তা দাঁড়িয়েছে ৩২.২৮ বিলিয়ন ডলার। বিশেষত মে মাসের পর থেকে ভারত চিন সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ায় চিনা পণ্য এদেশে বয়কটের ডাক দেওয়া হয়।

২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ভারত থেকে চিনে আমদানি হওয়া পণ্যের পরিমাণ ৬.৭ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১১.০৯ বিলিয়ন ডলার। ভারতের সঙ্গে চিনের বাণিজ্য কিছুটা কমে গিয়েছে। এই বছরের জানুয়ারি মাস থেকে ১৮.৬ শতাংশ কমে তা দাঁড়িয়েছে ৪৩.৪৭ বিলিয়ন ডলার।

চলতি বছরের জুনের তুলনায় জুলাই মাসে চিনের রফতানি কিছুটা বাড়ে। জুন মাসে ৪.৭৯ বিলিয়ন ডলার থেকে জুলাই মাসে বেড়ে হয় ৫.৬ বিলিয়ন ডলার। গালওয়ানে সংঘর্ষের ফলে ভারতও নড়েচড়ে ওঠে চিনের সঙ্গে তাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে। খতিয়ে দেখতে চাই, সেটা কতটা কমানো যায়।

ডিরেক্টর জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড টেলিভিশন আমদানি করার ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করে তা নিয়ন্ত্রণ করে দেশিয় উৎপাদিত পণ্যকে উৎসাহিত করার চেষ্টা করা হয়। ২০১৯-২০ সালে ভারত চিন থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডলারের এবং ভিয়েতনাম থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের টিভি সেট আমদানি করেছে।

গত আর্থিক বছরে মোট টিভি আমদানি করা হয়েছিল ৭৮১ মিলিয়ন ডলার। আপাতত ভারত ব্যবস্থা নিচ্ছে তাদের বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে, বিশেষত দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় কারণ ঘুরপথে চিনের মাল ঢুকছে কিনা তা বুঝে নিতে। এক্ষেত্রে মূলত লক্ষ্য হল আমদানি করা সেইসব পণ্য গুলির উপর

যেমন- বেস মেটাল, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনের জন্য ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট, আসবাবপত্র, চামড়ার জিনিস, খেলনা, এয়ারকন্ডিশন টেলিভিশন ইত্যাদি। ভারতের বাজারে চিনা স্মার্টফোন যেখানে গত মার্চ মাসের শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে ৮১ শতাংশ দখলে ছিল সেটাই গত জুন মাসে শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে কমে হয়েছে ৭২ শতাংশ।

ভারতের মার্কেট লিডার Xiaomi কাজ করছে নতুন ভার্সন MIUI নিয়ে যাতে সরকারের নিষিদ্ধ করা অ্যাপ্লিকেশনের আওতায় বাইরে থাকা যায়। সরকার পরিকল্পনা করেছে ২০টি ক্ষেত্রে আমদানি করার ক্ষেত্রে লাইসেন্স জরুরী। যে গুলির মধ্যে রয়েছে-আসবাবপত্র, খেলনা, খেলার সরঞ্জাম, বস্ত্র ,এয়ার কন্ডিশনার, চামড়ার জিনিস, সিসিটিভি টিভি সেট টপ বক্স ইত্যাদি।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা