নয়াদিল্লি: দেশের ফাইভ জি নেটওয়ার্ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় কোন কোন দেশের টেলিকম সংস্থাকে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অর্থাৎ সে ক্ষেত্রে এদেশের ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক যোগাযোগ ব্যবস্থার ট্রায়ালে আদৌ কোনও চিনা টেলিকম সংস্থাকে কাজে অংশ নিতে দেওয়া হবে কিনা তা চূড়ান্ত হয়নি।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় কুমার ভাল্লা জানিয়েছেন, কোন কোন বিদেশী সংস্থাকে দেশের ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক চালু ট্রায়ালে অংশ নিতে দেওয়া হবে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। কাদের ট্রায়ালে অনুমতি দেওয়া হবে সেটা এখন আলোচনার স্তরেই রয়েছে বলে তিনি জানান।

এই প্রসঙ্গে তার কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয় ট্রায়ালে কোন চিনা সংস্থাকে অংশ নিতে অনুমতি দেওয়া হবে কিনা। এর জবাবে স্বরাষ্ট্র সচিব জানান, এখনও এ ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। যদিও তিনি মানেন, ভারতের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার শিল্পে চিনা টেলিকম সংস্থার যথেষ্ট পরিমাণ উপস্থিতি রয়েছে।

কিছুদিন আগে আমেরিকা নিরাপত্তার অজুহাতে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা চিনা টেলিকম সংস্থার অনুপ্রবেশ নিষিদ্ধ করেন। পাশাপাশি অন্য দেশ গুলিকে সেই পথে হাঁটার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। ভারত এই বিষয়ে বুঝেসুঝে এগোতে চাইছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।