নয়াদিল্লি : শুধু সীমান্ত নয়। সাইবার দুনিয়াতেও ভারতের ক্ষতি করতে উঠে পড়ে লেগেছে চিন। এবার তাদের নজর ভারতের প্রতিরক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে। ভারতীয় গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তা অন্তত তেমনই বলছে।

গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, চিনা সেনার গোপন ইউনিট ৬১৩৯৮-কে এই কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে। যারা নেট দুনিয়ায় হামলা চালিয়ে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ভারতের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লুঠ করার কাজ চালাবে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার এই সংক্রান্ত সতর্কবার্তা জারি করেছেন গোয়েন্দারা।

রিপোর্ট বলছে ভারতের বিরুদ্ধে ফের সাইবার হামলার ছক কষেছে চিন। চিনা সেনার সাইবার হামলা শাখা এই পরিকল্পনা করছে, যাদের নিজস্ব কোড রয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে তারা পরিকল্পনায় শান দিতে শুরু করেছে। বেশ কয়েক মাস ধরেই চিনা সাইবার হামলা সংক্রান্ত একাধিক রিপোর্ট হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের।

জানা গিয়েছে, ভারতের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত স্পর্শকাতর ইস্যু ও তথ্য হাতে পাওয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বেজিং। চিনের সাংহাইয়ের পুডোং জেলার ডাটোং অ্যাভিনিউতে রয়েছে সাইবার হামলা বিশেষজ্ঞ ইউনিট ৬১৩৯৮য়ের সদর দফতর। জি মিডিয়ার বিশেষ রিপোর্ট জানাচ্ছে ৬১৩৯৮ ইউনিট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। করোনা ভাইরাসের আবহেই ভারতের ওপর সাইবার হামলা চালাতে মরিয়া ৬১৩৯৮ ইউনিট। সেই লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। নতুন করে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে চিনা সেনা।

জুন মাসেই জানা গিয়েছিল ভারতের ওয়েভ, ব্যাংকিং সেক্টরে চিন অন্তত ৪০ হাজার বার সাইবার হামলা চালিয়েছে। আইটি সেক্টরেও এই হামলা চলেছে। মহারাষ্ট্রের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা এখবর জানান। চিনের চেংদু প্রদেশ থেকে মূল সাইবার হানা হচ্ছে বলে খবর। মহারাষ্ট্রের সাইবার সেল জানাচ্ছে, গত এক মাসে কমপক্ষে ৪০ হাজার ৩০০টি সাইবার হামলা করা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন সেক্টরে।

ফলে সাবধানবাণী জারি করছেন তাঁরা। গালওয়ান ভ্যালিতে ভারত চিন সেনার সংঘর্ষের পর থেকে চিনের সাইবার হানার প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে ভারত। সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, চিনের হ্যাকাররা গোপনে ভারতের সাইবার দুনিয়ায় হামলা চালাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি সাইবার হামলা চলেছে ভারতেই, জানাচ্ছে রিপোর্ট।

ভারতের সাইবার প্রোটেকশন সেন্টারের তরফ থেকে সিদ্ধার্থ বিশ্বনাথ জানাচ্ছেন সাইবার হামলার পরিমাণ বেড়েছে। নীতি আয়োগের রিপোর্ট অনুযায়ী, ফিশিং ও সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সাইবার হামলা চলছে ৫৭ শতাংশ, ম্যালওয়্যার হানা হচ্ছে ৪১ শতাংশ, স্পিয়ার ফিশিং সাইবার হানা চলছে ৩০ শতাংশ, ডিওএস ২০ শতাংশ ও রানসমওয়্যার ১৯ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.