নয়াদিল্লি: লাদাখে ব্যর্থ হওয়ার পর এবার অরুণাচলের সীমান্তে ঘাঁটি গাড়ছে চিন। অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত সংলগ্ন অন্তত চারটি অবস্থানে সেনা মোতায়েন করেছে বেজিং।

ইন্ডিয়া টুডে-তে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অরুণাচলের আসাফিলা. তুতিং অ্যাক্সিস, চাং জে, ফিশটেল, সেক্টর ২-এর সীমান্তের চিন সেনার এই অবস্থান দেখা গিয়েছে। ভারতের এলাকা থেকে ২০ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে চিনের সেনা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ওই এলাকায় চিন অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে। উচ্চতর জায়গায় নিজেদের অবস্থান পোক্ত করতে চাইছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে ভারতীয় সেনা তাদের প্রতিহত করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এলাকা জুড়ে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত।

ভারতীয় ভূ-খণ্ডের ২০ কিলোমিটারের মধ্যে যে রাস্তা বানিয়েছে চিন, সেগুলি ব্যবহার করেই টহলদারি চালাতে দেখা যাচ্ছে সেদেশের সেনাবাহিনীকে।

এদিকে, মঙ্গলবার সংসদে ভারত-চিন সংঘাত প্রসঙ্গে মুখ খোলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ভারত-চিন সংঘাত এখনও মেটেনি বলেই জানান তিনি। চিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে রাজনাথ আরও জানিয়েছেন, দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ভঙ্গ করেছে চিন।

লাদাখ সীমান্তে কড় নজরদারি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সীমান্তে চিনা বাহিনীর আগ্রাসন রুখে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। মঙ্গলবার সংসদে বাদল অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে এমনই জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি আরও জানিয়েছেন, চিনা বাহিনীর গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। যে কোনও পরিস্থিতির জন্য ভারতীয় সেনা তৈরি রয়েছে।

৩৮,০০০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দখলদারির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চিন সেনা। ভারত-চিন সংঘাত মিটতে ধৈর্য্য ধরা প্রয়োজন বলেও মনে করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। রাজনাথ সিং বলেন, ‘‘শান্তি রক্ষা অবশ্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে লাদাখে যে কোনও পরিস্থিতির জন্য আমরা তৈরি রয়েছি। সেখানে মোতায়েন সেনা-জওয়ানদের সাহস ও উত্সাহ অপরিসীম। দেশের ১৩০ কোটি মানুষ তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন। তাঁদের জন্য টেন্ট, গোলাবারুদ, অস্ত্র সবই পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে।’’

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।