কলকাতা: ভয়ঙ্কর চিনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে এক চিনা যুবতীকে ভরতি করা হয়েছিল বেলাঘাটা আইডি হাসপাতালে৷ কিন্তু তার দেহে ওই ভাইরাস পাওয়া যায়নি৷ অবশেষে তিন দিনের মাথায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন হুয়াইন৷ তিনি এখন ভাল আছেন৷

বেলাঘাটা আইডি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান তপন বিশ্বাস জানিয়েছিলেন, বছর আটাশের হুয়াইনের যা লক্ষণ, তা করোনাভাইরাস বলে মনে হচ্ছে না৷ স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি (এনআইভি)-ও জানিয়ে দিয়েছে, পরীক্ষার জন্য ওই তরুণীর রক্ত ও লালার নমুনা পাঠানোর দরকার নেই৷

গত রবিবার রাতে চিনা যুবতীকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়৷ হাসপাতাল জানিয়েছিলেন, ওই যুবতী চিন থেকে কলকাতায় বেড়াতে এসেছিলেন৷ প্রথমে ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল যুবতীকে৷ পড়ে বেশি রাতে তাঁকে বেলেঘাটা আইডিতে নিয়ে আসা হয়৷ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসাবে তাঁকে সন্দেহ করা হলেও যুবতীর চিকিৎসার জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ভাষা৷

করোনার প্রকোপে চিনে মৃত বেড়ে দাঁড়িয়েছে শতাধিক৷ আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজারের বেশি৷ এদিকে করোনা ভাইরাস চিন থেকে ক্রমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়াচ্ছে৷ এতে উদ্বিগ্ন বিভিন্ন দেশের সরকার৷ বিবিসি জানাচ্ছে, করোনা ভাইরাসের গবেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ চীনের পক্ষে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে না৷

আপাতত চিন থেকে দূরে থাকাই ভাইরাস থেকে বাঁচার পথ। কিন্তু সংক্রামক এই ভাইরাস নিয়ে যারা ইতিমধ্যে চিন থেকে বিভিন্ন দেশে এসেছেন তাঁদের নিয়েই চিন্তা বেশি৷ অন্যদিকে চিনের উহান সহ একাধিক শহরে ঢোকা এবং শহর থেকে বের হওয়ার ব্যাপারে কড়া কড়ি করেছে চিন সরকার৷

চিনা সংবাদপত্র পিপলস ডেইলি জানিয়েছে, বিশেষ চিকিৎসার জন্য ১৩০০ শয্যাবিশিষ্ট দ্বিতীয় একটি হাসপাতাল নির্মাণকাজ শুরু করা হবে চলতি সপ্তাহে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ